বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে চাল রপ্তানি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ-সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ বানোয়াট। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, টাকা দিলে যদি চাল পাওয়া যায় তাহলে অভাব কোথায়?

অনির্ধারিত আলোচনায় জাতীয় পার্টির সাংসদ নুরুল ইসলাম পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের উদ্ধৃতি দিয়ে জানতে চান, ভারত থেকে বাংলাদেশে চাল রপ্তানি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি না।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, কারও স্বাক্ষর ছাড়া একটি চিঠি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করেছে; যা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটা চালের কৃত্রিম সংকট ও দাম বাড়ানোর চেষ্টা। একটি শ্রেণি কারসাজি করে চালের দাম বাড়াতে চায়।

তোফায়েল আহমদে বলেন, তিনি নিশ্চিত করতে চান, খাদ্যের কোনো অভাব নেই। তিনি প্রশ্ন রাখেন, টাকা দিলে যদি চাল পাওয়া যায় তাহলে অভাব কোথায়?

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল সাংবাদিকেরা তাঁকে একটি চিঠি দেখান। যেখানে বলা হয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশে চাল রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তখন তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার, ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বৃহস্পতিবারও তিনি ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে তিনবার কথা বলেছেন। এ খবর সম্পূর্ণ বানোয়াট। একটি জাতীয় পত্রিকায় এ ধরনের প্রতিবেদন ছাপার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি পত্রিকাটির সম্পাদকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, এবার আউশের উৎপাদন হয়েছে ২৭ লাখ মেট্রিক টন। গত তিন বছরে সরকার আউশ উৎপাদনে প্রণোদনা দিচ্ছে। কারণ, কৃষকেরা বোরো ও আমন চাষ করতে চাইত, সে জন্য আউশের উৎপাদন প্রান্তিক পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। প্রণোদনা দেওয়ায় এবার গতবারের চেয়ে ৫ লাখ ৭৬ হাজার মেট্রিক টন আউশ উৎপাদন বেড়েছে।