যশোরের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে বের হওয়া মাত্রই দুর্বৃত্তদের গুলিতে সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান হেমায়েত হোসেন (৩০) খুন হয়েছেন।

সোমবার ইফতারের পর তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে বের হলে কারা ফটকের সামনেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। হেমায়েত শহরতলীর মণ্ডলগাতি এলাকায় জিন্নাহ ওরফে টেনা কসাইয়ের ছেলে এবং ওই এলাকার হেমায়েত বাহিনীর প্রধান।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, ১৯ এপ্রিল তাকে বিস্ফোরকসহ পাঁচটি মামলায় যশোর কোতোয়ালি থানার পুলিশ আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে। সোমবার তিনি জামিনে বের হন। কারাগার থেকে বের হয়ে তিনি গেটের সামনে সুকতারা টি স্টলে চা পান করছিলেন।

এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে তাকে সামনে থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। একটি গুলি তার মাথার ডান পাশে এবং আরেকটি গুলি পায়ে বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই হেমায়েতের মৃত্যু হয়েছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র সুপার শাজাহান আহমেদ বলেন, রাত পৌণে ৮টার দিকে মুক্তি পেয়ে হেমায়েত কারা ফটকের সামনের রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছান। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে এসে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। কারাগারের প্রধান ফটকে দায়িত্বরত রক্ষীরা দুর্বৃত্তদের ধাওয়া করে। এ সময় মোটরসাইকেল দুটির একটি পড়ে যায়। দুর্বৃত্তরা সেটা ফেলেই পালিয়ে যায়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আরও জানান, ‘নিহত হেমায়েতের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন আইনে ১৯টি মামলা রয়েছে। হত্যাকারীদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। হত্যার কারণও উদঘাটিত হয়েছে। কিন্তু এখনই সব বলা যাবে না।’

এআই