সিলেট এমসি কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গোলাগুলির এ ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে ১০ জন।
সোমবার দুপুরে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু ও জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরী গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ দুই ছাত্রলীগ কর্মী হলো নিপু গ্রুপের রতন গুপ্ত ও খায়রুল ইসলাম।তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সিলেট এমসি কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে নিপু ও রায়হান গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সোমবার সকাল থেকে নিপু গ্রুপের নেতাকর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়। বেলা দেড়টার দিকে রায়হান গ্রুপের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এতে নিপু গ্রুপের ওই দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হন।
এছাড়াও আরো আটজন আহত হয়েছেন। গোলাগুলির খবর পেয়ে নগরীর শাহপরান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় উভয়পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরী বলেন, ‘রোববার পরীক্ষার প্রবেশপত্র আনার জন্য ছাত্রলীগ কর্মী বিকাশ চন্দ্র সাহা কলেজে যান। ওই সময় হিরণ মাহমুদ নিপু ও তার অনুসারীরা অযথাই বিকাশকে মারধর করে। এর জেরে বিকাশের সহকর্মীরা সোমবার ক্যাম্পাসে গেলে গ্রুপের আকাশ, হোসেইন, শামীম আলী ও রাসেলের নেতৃত্বে নিপুর অনুসারীরা গুলি ছুঁড়ে।’
অন্যদিকে হিরণ মাহমুদ নিপু বলেন, সোমবার সকাল থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিল। কিন্তু রায়হান গ্রুপের নেতাকর্মীরা হঠাৎ ক্যাম্পাসে ঢুকে গুলি ছুঁড়লে সংঘর্ষ বাধে।এ ব্যাপারে নগরীর শাহপরান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘ব্যস্ত আছি' পরে কথা বলব’বলে ফোন রেখে দেন।
এমআইএস।





