নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের পর পানিতে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিরাজপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষক রাজু (২৩) ওই এলাকার কাজীবাড়ীর লিটনের ছেলে। তিনি কাতার প্রবাসি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে স্কুলে প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় ওই ছাত্রী। সে সিরাজপুর ৫নং ওয়ার্ডের কাজীবাড়ী এলাকায় পৌঁছলে রাজু তাকে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী বাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
পরে ধর্ষক রাজু ওই স্কুলছাত্রীকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাশের একটি ডোবাতে ফেলে দেয়। এ সময় বাগানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তার চাচা আব্দুস ছাত্তার চিৎকার শুনতে পেয়ে রাজুকে ধাওয়া করলে তিনি পালিয়ে যান।
পরে তিনি স্থানীয়দের নিয়ে ওই ডোবা থেকে মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করেন।
মেয়েটির দাদি সামছুন নাহার ও চাচা আব্দুস ছাত্তার জানান, প্রতিদিন ওই পথ দিয়ে সে (ভিকটিম) বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করতো। রাজু ধর্ষণের পর হত্যা করার জন্য তাকে ডোবাতে ফেলে দেয়। ঘটনার পর থেকে রাজু ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক আছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান সাজিদ জানান, তাকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চাকু ও ভিকটিমের জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্ত রাজুকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে আটক করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি।
এমকে





