চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়া রবিন নামের ট্রলারটি তিন দিন পর পাওয়া গেছে। তবে শিশুসহ ৮ যাত্রীর খোঁজ এখনো মেলেনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাঝেরচর এলাকায় মাঝনদীতে প্রায় ৪০ ফুট গভীরে ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
অভিযানে থাকা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সহকারী পরিচালক মাহফুজ উল আলম সজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নৌবাহিনীর ডুবুরি, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এবং বিআইডব্লিউটিএর যৌথ উদ্যোগে যাত্রী ও ট্রলারের সন্ধান করা হয়।
একপর্যায়ে ডুবুরিরা ৬০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের ট্রলারটি নদীর গভীরে চিহ্নিত করেন। পরে তারা খোলা এই ট্রলারটির মধ্যে কোনো যাত্রী খুঁজে পাননি।
তবে ট্রলারটি থেকে একটি কাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ট্রলারটির জায়গা চিহ্নিত করে উদ্ধার কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে আসেন উদ্ধারকারীরা।
বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক মাহফুজ উল আলম সজল জানান, দুর্ঘটনাস্থল মাঝেরচরে মেঘনা নদীতে প্রচ- স্রোত ও অনেক গভীরতা।
স্রোতের কারণে নিখোঁজ যাত্রীদের কাউকে ট্রলারে কিংবা এর আশপাশে পাওয়া যায়নি। ডুবুরিরা যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন।
এদিকে সন্ধান পাওয়া ট্রলারটি তোলার জন্য মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
জানা গেছে, ডুবে যাওয়া ট্রলারটির বৈধ কাগজপত্র ছিল না। ট্রলারটির মালিক কাদের সর্দার। তার বাড়ি চরভাঙ্গা এলাকায়।
নিখোঁজ যাত্রীরা হলেন- ফাহিম (২০), মানিক (৪), রতন (২), নারগিস (৩০), শাহজাদী (২০), আলেয়া (২৬), সিয়াম (৮) ও স্বর্ণা (৪)। তাদের বাড়ি হাইমচরের বিভিন্ন এলাকায়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে হাইমচরের তেলিরমোড় এলাকা থেকে অর্ধশত যাত্রী নিয়ে রবিন নামের ট্রলারটি ঈশানবালার দিকে যাত্রা করে।
ঘন কুয়াশার মধ্যে ট্রলারটি একটি মালবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মেঘনায় মাঝনদীতে ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা বেশিরভাগ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আট যাত্রীর সন্ধান মেলেনি।
এমকে





