জাল ব্যাংক রশিদের মাধ্যমে পানি বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম ওয়াসার এক সহকারী প্রকৌশলীসহ ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

গত বৃহস্পতিবার তাদের বহিষ্কারাদেশ জারি করা হলেও রোববার সরকারি অফিস খোলার দিন থেকে তা কার্যকর হয়। তবে এই আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে রোববার সকাল থেকে ওয়াসা ভবন ঘেরাও করে সিবিএ নেতারা।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন- চট্টগ্রাম ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী আশিক মাহমুদ চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, ওভারচেয়ার আব্দুর রহিম, গাড়িচালক আলতাফ আলী, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. ইউসুফ, মো. শাহাদাত, মোহাম্মদ আব্দুর রউফ, মো. শাহ জামাল, আমানত খান এবং হেলপার আনোয়ার হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পানি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠার পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্মচারী (দক্ষতা ও শৃঙ্খলা) বিধিমালা ১৯৬৫ মোতাবেক সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এদিকে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিতে ওয়াসা ভবন রোববার সকাল থেকে ওয়াসা ভবন ঘেরাও করলে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি প্রকোশলী ফজলুল্লাহ সিবিএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সিবিএ নেতাদের তিনি আশ্বাস্থ করেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ফের তদন্ত হবে। যদি দোষী প্রমাণিত না হয় তাহলে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হবে। তবে বর্তমান আদেশ বহাল থাকছে। এরপর তারা ঘেরাও কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়।

ইআর