নারকীয় ও পৈশাচিক ঘটনা হলে মধ্যযুগের বর্বরতার সাথে তুলনা করা হয়। সেটা নিষ্ঠুরতার একটি চূড়ান্ত দলিল হিসেবে নিয়ে প্রচারণা চালানো হয়। কিন্তু সভ্য যুগেও যেন থেমে নেই মধ্যযুগীয় বর্বরতা!
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে তুহিন (৫) নামে এক শিশুকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে ঘাতকরা। এ সময় ঘাতকরা শিশুটির লিঙ্গ ও কান কেটে নিয়ে গেছে।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কাজাউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তুহিন ওই গ্রামের আব্দুল বাছিরের ছেলে।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামের বাসিন্দারা পাঁচ বছর বয়সী শিশু তুহিনের লাশ গাছে ঝুলতে দেখে পুলিশের খবর দেন।
তবে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, তা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকার মানুষ হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড এর আগে কেউ দেখেনি।
সকালে দিরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তাহের মোল্লা বলেন, ‘পাঁচ বছরের একটি শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের লোকজনও ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানায়, গতকাল রোববার রাতে কেজাউড়া গ্রামের আবদুল বাছিরের পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়ে।
পরে আজ সোমবার সকালে স্থানীয়রা ঘুম থেকে উঠে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত তুহিনকে দেখতে পায়।
ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে পাশবিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এএস





