গাজীপুরে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ৯ থেকে ১১ জানুয়ারি এবং ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি দুই পর্বে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই জমায়েত সফলভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।
এ উপলক্ষ্যে শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী অঞ্চল চত্বরে বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিটি মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য বিভাগ তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আশা করছি গতবারের ন্যায় এবারও সফলভাবে ইজতেমা সম্পন্ন হবে।’
পরে বিএনপির ৫ জানুয়ারি ঢাকার মহাসমাবেশের অনুমতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে কেউ জনসাধারণের ক্ষতির চেষ্টা করলে প্রশাসনেরও কিছু করার রয়েছে। তবে অনুমতির ব্যাপারটি পুলিশের উপর নির্ভর করছে।’
ইজতেমায় সার্বিক প্রস্তুতি ও সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে ইজতেমার মুরুব্বি বদিউর রহমান বলেন, ‘দিনের দাওয়াত মানুষের নিকট পৌঁছে দেওয়া ও মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকা বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের মূল লক্ষ্য।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়কমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, স্বরাষ্ট্র সচিব ড. মোজাম্মেল হক, পুলিশের মহাপরিদর্শক শহীদুল হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমান। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. নূরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদসহ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেআই





