কুমিল্লার লাকসামে পৌরসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার পর ভোটারদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের সময় দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন- উপজেলার উত্তরদা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রাব্বানী মজুমদার, সদর দক্ষিণ উপজেলার বাগমারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আয়াত উল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ৮ জন।
এদের মধ্যে লাকসাম রেলওয়ে স্কুল ভোট কেন্দ্র থেকে ৫ জন ধামৈচা কেন্দ্র থেকে অপর ৩ জনকে আটক করে র্যাব-১১ এর একটি ভ্রাম্যমাণ দল।
সকাল ১১টায় আল আমিন স্কুল কেন্দ্রে ভোটারদের ওপর ককটেল হামলা হয়েছে। এতে সাধারণ ভোটারদের ভয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।
সকাল ১০টার দিকে গোপালপুর মাদরাসা ভোট কেন্দ্র থেকে ভোটারদের বের করে দিয়ে নৌকা মার্কার সমর্থকরা কেন্দ্রের দখল নিয়ে প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল মারতে দেখা যায়।
সাংবাদিকরা ছবি তুলতে চাইলে বাধা দেয়া হয়। নশরতপুর কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়া অধিকাংশ কেন্দ্রের বাইরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
লাকসাম উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুভাস বনিক ও বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিনের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে।
এছাড়া শহরের শ্রীপুর, গাজীমুড়া, পূর্ব লাকসাম ও ধামৈচায় ভোটারদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এ সময় এক বিএনপি নেতার মোটর সাইকেলে অগ্নি সংযোগ করা হয়। হুমকি-ধামকি ও হামলার কারণে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এসএইচ





