দুটি কিডনি হারিয়ে ঢাকা মেডিকেলের বিছানায় কাতর প্রায় রফিকুল। ডায়ালেসিস করে এখন তিনি কোন রকম বেঁচে আছেন। কিডনি প্রতিস্থাপন করতে তার প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা, যা তার নেই। বেঁচে থাকার আকুতি আছে। কিন্তু চিকিৎসার সামর্থ নেই। এ অবস্থায় বিত্তবানদের সহযোগীতা চান তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষক হিসাবে চাকরি করেন। দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে ঝিনাইদহ শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন তিনি। কলেজ পড়ুয়া দুই মেয়ের পড়াশুনার সুবিধার জন্যই তাদের শহরে থাকা। হঠাৎ তার অসুস্থতা ধরা পড়ে। এলাকায় চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিকেলে ভর্তির পরামর্শ দেন । ভর্তিও হন তিনি। কিডনি অকেজু হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত ডায়ালেসিস করে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করতে হচ্ছে তাকে। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় তিন লাখ টাকা। এখন আর পারছেন খরচ চালাতে ।
রফিকুলের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজারগোপালপুরে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আদিল উদ্দীন মালিথার ছেলে।
৫০ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম এখন ঢাকা মেডিকেলের ৯০১ নং ওয়ার্ডের ৪৯ বেডে অধ্যাপক ডাঃ নিজাম উদ্দীন চৌধুরীর তত্ববধানে চিকিৎসাধীন।
.jpg)
স্ত্রী রওশন আরা হতাশ কন্ঠে জানান, সর্বক্ষন কাজে ডুবে থাকা তার স্বামী আজ জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে। তার দুচোখে মুঠো মুঠো স্বপ্নের বদলে শুধুই মৃত্যুর বিভীষিকা। তারপরও শেষ চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্বামীকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু চিকিৎসায় বাধা হয়ে দাড়িয়েছে অর্থ। টাকা হলে হয়তো তার স্বামীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
রফিকুলের জমজ দুই মেয়ে ঝিনাইদহ সরকারী কেসি কলেজে(বিশ্ববিদ্যালয়) পড়াশুনা করেন। তার দুই বোনও বাবার জন্য চিন্তিত।
রফিকুলের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ডাক্তার জানিয়েছেন, খুব দ্রুত তার কিডনি দুটি প্রতিস্থাপন করা না হলে আর বাঁচানো যাবেনা। আর এ জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
রফিকুলের সাথে যোগাযোগ ০১৬২১-৪২৮০৫৫, ০১৯১৫-০৯৫৯৮৬। আর্থিক সহায়তরার জন্য রওশন আরা, সঞ্চয়ী হিসাব নং ২৮৬৬, অগ্রনী ব্যাংক, বাজারগোপালপুর শাখা, ঝিনাইদহ।
তারিক/জারিফ





