রাজধানীতে চলন্ত মাইক্রোবাসে গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন দু'জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে ঢাকা ও পটুয়াখালী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- আশরাফ খান ওরফে তুষার ও ড্রাইভার লাভলু।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও র‌্যাব গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।

গত বৃহস্পতিবার রাতে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ওই তরুণীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটি যমুনা ফিউচার পার্কে একটি পোশাকের দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন।

এ বিষয়ে মেয়েটি রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, চলন্ত মাইক্রোবাসে পাঁচজন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেছে।

র‌্যাব সূত্রটির দাবি, গতকাল রাতে তাঁরা রাজধানী থেকে তুষারকে গ্রেপ্তার করেছেন। তবে কখন, কোন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।

তুষার একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাইক্রোবাস চালান। গত রোববার তিনি দুজন বিদেশিকে নিয়ে যে দোকানে মেয়েটি কাজ করেন সেখানে যান। ওই দোকান থেকে তাঁরা কিছু জামাকাপড় কেনেন।

সেখানে তুষারের সঙ্গে মেয়েটির কথা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তুষার গাড়ি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। মেয়েটি কাজ শেষে বের হওয়ার পর তাঁকে গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। চলন্ত গাড়িতে সহযোগীদের নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে তুষার।

র‌্যাব জানিয়েছে, গাড়িটি নিয়ে তুষার ও তার সহযোগী কয়েকবার কুড়িল ফ্লাইওভারে ওঠানামা করে। চলন্ত গাড়িতেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়।

মেয়েটির স্বজনেরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চলন্ত গাড়িতে অস্ত্রের মুখে মেয়েটিকে ধর্ষণের সময় একজনের ফোন বেজে ওঠে। তখন আরেকজন বলে, ‘তুষার তোর ফোন’। সেই থেকে মেয়েটির বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে তুষার নামের সেই লোকটিকে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তবে মেয়েটি ভাটারা থানায় যে মামলা করেছেন তাতে সন্দেহভাজন বা আসামি হিসেবে তুষার বা অন্য কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলায় অজ্ঞাতনামা পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

এমকে