পঞ্চগড়ে আবারো শুরু হয়েছে রিক্সা ভ্যান শ্রমিকদের ডাকা কর্মবিরতী। জেলা শহরে অটোরিক্সা, থ্রি হুইলার (পাগলু) ও বাস-মিনিবাস নির্ধারিত স্থান ছাড়া যাত্রী তোলেন।
সোমবার সকাল ৬ টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই কর্মবিরতীর ডাক দেন জেলা রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন। এদিকে রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিকরা কর্মবিরতী পালন করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে জেলার সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, জেলা শহরে অটোরিক্সা, থ্রি হুইলার (পাগলু) ও বাস-মিনিবাস নিয়মিত চলে।এরা নির্ধারিত স্থান ছাড়া যাত্রী তোলায় রিক্সা ভ্যান চালকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই তারা এসব বিষয়ে প্রশাসনের কাছে বার বার অভিযোগ করে আসছিলেন। কিন্তু প্রশাসন কার্যকর প্রদক্ষেপ না নেয়ায় তারা কর্মবিরতীর ডাক দিয়েছেন।কর্মবিরতীতে রিক্সা ভ্যান চলাচল না করায়, ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল যেমন বহন করতে পারেননি, তেমনি আড়তে কাঁচামাল নিয়ে আসতে পারেনি চাষীরা।
কেউ কেউ বিকল্প মাধ্যমে বা নিজ মাথায় করে মালামাল বহন করেন। দূরের শিক্ষার্থীদের নিরুপায় হয়ে পায়ে হেটে বাড়ি যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা চরম দূর্ভোগে পড়েছেন।
জেলা রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোমিন বলেন, ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
এতে পঞ্চগড় জেলায় অটোরিক্সা, থ্রি হুইলার (পাগলু) ও বাস-মিনিবাস তাদের নির্ধারিত স্থান ছাড়া শহরের যেখানে সেখানে যাত্রী তুলতে পারবেনা বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরা কর্মবিরতীর ডাক দিয়েছি।
জেলা রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, এর আগে আমরা একাধিকবার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। আমাদের দাবী না মানা পর্যন্ত আমরা কর্মবিরতী পালন করেই যাবো।
এর আগে একই দাবিতে জেলা রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন গত ১৬ অক্টোবর ৮ ঘন্টার কর্মবিরতী পালন করেছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কর্মবিরতী চলছিল।
কেএইচ/এসএইচ





