বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র এলাকায় কি ধরনের সম্পদ রয়েছে, সে সব বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির পর সমুদ্রে থাকা সম্পদ সংগ্রহ ও ভবিষ্যত কর্মপন্থার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আর এ নিয়েই বিস্তারিত বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বিষয়ে আগেই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে কৌশলগত দিকগুলো তুলে ধরে মতামত চাওয়া হয়েছে।
এতে ১৯টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে পরিকল্পনার পাশাপাশি অ্যাকশন পরিকল্পনা তৈরিরও নির্দেশ দেয়া হয়।
জানা যায়, ব্লু ইকোনমি ধারণা বাস্তবায়নে চীন ও জাপানের সহযোগিতা কাঠামো প্রস্তুত করছে সরকার। সমুদ্রের তলদেশে কি রয়েছে তা এখনো অজানা বাংলাদেশের। ফলে ভবিষ্যত পরিকল্পনার জন্য তা বিস্তারিত জানা জরুরি। ফলে কমিটি গঠনের পর প্রথমেই জরিপ কাজের জন্য জনবল এবং সামুদ্রিক জলযান ক্রয় করার পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।
এখানে সামুদ্রিক সম্পদ সংগ্রহ ও সুষ্ঠু ব্যবহার, সমুদ্র গবেষণা, নৌ পরিবহন এবং পর্যটনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় দেশের সামুদ্রিক মানচিত্র প্রণয়নের পাশাপাশি সম্পদ আহরণ ও সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
আর সামুদ্রিক সম্পদ কিভাবে কাজে লাগানো হবে, সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আগামী ১ ও ২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালারও আয়োজন করা হচ্ছে।
ঢাকা, ২০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





