হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পর গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) নির্বাচনের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ (রোববার) বিকালে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।
তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে জানতে পেরেছি মহামান্য হাইকোর্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন। এজন্য নির্বাচনের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখতে সেখানকার রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”
নির্বাচন কমিশনার বলেন, কী কারণে এই নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে- সেটি স্থানীয় সরকার বিভাগ নাকি কমিশনের ভুল তা এখনো জানতে না পারলেও আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান রেখে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এর আগে এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের যুগ্ম-বেঞ্চ গাজীপুর সিটি নির্বাচন ৬ মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ দেন।
আগামী ১৫ মে এই সিটি করপোরেশনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে জাহাঙ্গীর আলম এবং বিএনপি থেকে হাসান উদ্দিন সরকার মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। তারা সমানে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে এই সিটি করপোরেশনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে জাহাঙ্গীর আলম এবং বিএনপি থেকে হাসান উদ্দিন সরকার মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। গাজীপুর মহানগর জামায়াত আমির এস এম সানাউল্লাহ স্বতন্ত্র পদে সিটি নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ছিলেন।
পরে তিনি ২০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্তে বিএনপির প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন এবং তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে হাসান উদ্দীন সরকারের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় ছিলেন।
বিএনপির দাবি, দলটির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারকে সমর্থন দেওয়ায় জামায়াতের প্রার্থী সানাউল্লাহ’কে নেতাকর্মী’সহ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এমবি





