পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে রমজানের শুরু থেকে অদ্যাবধি মহাসড়কে কোনো চাদাঁবাজির ঘটনা ঘটেনি বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক।

রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রোববার দুপুরে মহাসড়কের যানজট ও নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বলেন, রমজানে অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটেছে এ ধরনের কোন অভিযোগ এখনও পাওয়া যায়নি।

মহাসড়কে চাঁদাবাজি হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহাসড়কে কোনো প্রকার চাঁদাবাজির ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হাইওয়ের ডিজিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোন ব্যক্তি, মহল বা কারও বিরুদ্ধে এধরনের কোন অভিযোগ এলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহাসড়কে যানজটের বিষয়ে তিনি বলেন, ঈদে বাড়ি ফেরার সময় ঘরমুখো মানুষের যাতে যানজটে পড়ে কোন ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যানজট না হয় সেজন্য ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আইজিপি।

মহাসড়কে যানবাহনে চাঁদাবাজির বিষয়ে আইজিপি বলেন, মহাসড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টিকিট কালোবাজারির বিষয়ে তিনি বলেন, টিকিট কালোবাজারি রুখতে পরিবহণ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কালোবাজারি রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে।

টিকিট ছাড়ার আগেই শেষ হয়ে যায় এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ৫০ লাখ লোক ঢাকার বাইরে যাবে। এ অবস্থায় টিকিট শেষ হতেই পারে। তবে কেউ যদি কালোবাজারি করে তাবে তাদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বলা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে।

ঈদে রাজধানীবাসী বাড়ি গেলে তাদের বাসাবাড়ির নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, রাজধানীতে নিরাপত্তার পাশাপাশি যারা বাড়ি যাবেন তাদের বাসাগুলোতেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নজরদারী রাখবে।

এমকে