ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনের রাস্তায় একটি ডাস্টবিনে আবারও একটি নবজাতক ছেলে শিশুর লাশ পাওয়া গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালের কোনো রোগী শিশুটিকে ডাস্টবিনে ফেলে গেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক গেটের বিপরীত পাশের ডাস্টবিনে নবজাতক শিশুটির লাশ দেখতে পায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী তানজিলা।
তানজিলা জানান, প্রতিদিন সকালের দিকে তিনি এই ডাস্টবিন পরিষ্কার করেন। আজও পরিষ্কার করতে গিয়ে এক ছেলেশিশুর লাশ দেখতে পান।
তানজিলা বলেন, ‘প্রায়ই এ রকম নবজাতকের লাশ দেখতে পান। কোনো কোনো লাশকে কুকুরে টানাটানি করে নিয়ে যায়। মানুষের নৈতিকতা কতটুকু নিচে নামলে এটা করতে পারে, তা একটু ভাবলেই বোঝা যায়।’
তিনি জানান, মালা নামে হাসপাতালের এক কর্মচারী মেডিক্যালের সব বর্জ্য নিয়ে এসে এখানে ফেলেন। তিনি নাকি এই কাজটি করে থাকেন টাকার বিনিময়ে।
এদিকে ওই নবজাতকটিকে দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় লক্ষ করা গেছে। আশপাশের রিকশাওয়ালা ও দোকানদাররা সেখানে জড়ো হয়েছেন। তারা বলেন, হাসপাতালে কেউ মারা যেতেই পারে। হাসপাতালের একটি নিজস্ব নিয়ম আছে। কেউ মারা গেলে তার সৎকার করা হয়। লাশ মর্গে রাখা হয়। কিন্তু কে বা কারা এই নিয়ম ভঙ্গ করে লাশ ডাস্টবিনে ফেলে যায়। এটি কোনোভাবেই ঠিক নয়।
এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ডাস্টবিনে নবজাতকের লাশ সম্পর্কে তিনি কিছুই শোনেননি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চেয়েছেন।
এএইচ





