ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসা ও মসজিদে যাতায়াতের রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রভাবশালীর এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার সাধারণ মুসল্লীরা। নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
জানা গেছে, উপজেলার নেপা ইউপির কুল্লাহ গ্রামের হাজী নুর ইসলাম তরফদারের জমি বিগতকালীন মাদ্রাসার জমির সাথে মৌখিক এওয়াজে পশ্চিম পাশে মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়। এর পর থেকে দীর্ঘ ৯ (নয়) বছর যাবৎ মাদ্রসা ও মসজিদ কতৃপক্ষ এ জমি ব্যবহার করে আসছেন।
হঠাৎ গত এক সপ্তাহ আগে জমির এওয়াজি মালিক হাজী নুর ইসলাম তরফদার মাদ্রাসা ও মসজিদের ব্যাবহারকৃত জমি, বাঁশের রেলিং দিয়ে মাঝ বরাবর বেঁড়া দিয়ে দেয়। এতে মাদ্রাসা ও মসজিদের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যায়। ক্লাসে যেতে না পারায় শিক্ষা বঞ্চিত হচ্ছে ৭ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী।
রাস্তা বন্ধ হওয়ায় মসজিদের মুসল্লীরাও আসা-যাওয়া করছেন অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে।
বিষয়টি নিরসনের জন্য গত কাল মঙ্গলবার মাদ্রসা কমিটির সভাপতি এবং সুপারেন্টেন্ড এর যৌথ সীল-স্বাক্ষরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আশাফুর রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ছাত্র/ছাত্রী ও মসজিদের মুসল্লিরা অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে চলাফেরা করছেন।
মাদ্রাসার সুপার আশরাফুজ্জামান জানান, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়েই উক্ত জমিটি নিজের দাবি করে জোর পূর্বক মাদ্রাসার ৬৬৮ জন শিক্ষার্থী ও এলাকার মুসল্লীদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
হাজী নুর ইসলাম তরফদারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, মাদ্রসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সুবিধার্থে অবিলম্বে রাস্তাটি খুলে দেওয়া হোক। এ জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপও কামনা করেন তারা।
তারিক/জারিফ





