মাদারীপুরে ফার্মেসি মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে দুর্ভোগে পড়েছে রোগীরা। শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে রোগীর জন্য জরুরি ওষুধ কিনতে এসে দোকান বন্ধ থাকায় ফিরে যেতে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের। নতুন শহর নিরাময় হাসপাতালের সামনে মীম ড্রাগ হাউজে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুরে প্রতিবাদে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।

শুক্রবার শহরে মাইকিং করে সব ওষুধের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুলিশ, স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১১টায় পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সুমন কাজী নামের এক যুবক মীম ড্রাগ হাউজের সামনে তার মোটরসাইকেল রাখে। মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে মীম ড্রাগ হাউজের মালিক বাতেন হাওলাদারের সঙ্গে সুমন কাজীর কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। সুমন এলাকায় গিয়ে বেলা ১২টার দিকে দেশি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শতাধিক সন্ত্রাসী নিয়ে মীম ড্রাগ হাউজসহ আশপাশের ৪/৫টি ওষুধের দোকানে হামলা চালায়। এ সময় তারা ওই ড্রাগ হাউজে ব্যাপক ভাংচুর করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফার্মেসি ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ফার্মেসি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাদারীপুরের রোগীরা ওষুধ সংকটে পড়েছে।

মাদারীপুর ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহতাব উদ্দিন তালুকদার জানান, এই সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক জানান, তারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওষুধ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে শনিবার সকালে আলোচনায় বসবেন। আলোচনার পরে আর ধর্মঘট থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ঢাকা,১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ