লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বহুল আলোচিত তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী পরিষদের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুইয়া। মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুইয়া শুক্রবার সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এসময় সেখানে তাকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর স্বাগত জানান।

এরপর মন্ত্রী পরিষদ সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সড়ক পথে তিস্তা ব্যারাজের হোটেল ‘অবসর’-এ বিশ্রাম শেষে তিনবিঘা করিডোরের অভ্যন্তরের আম্রকাননের সম্মেলন মঞ্চে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে পৌঁছালে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল হক, লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মেজর নাঈম হোসেন ও ভারতীয় কুচবিহার-২২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্ণেল অজয় লুথারা অতিথিদের স্বাগত জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, লালমনিরহাট পুলিশ সুপার টিএম মোজাহেদুল ইসলাম, পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবি-বিএসএফের কর্মকর্তারা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুইয়াকে তিনবিঘা করিডোর সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এরপর চা-চক্র শেষে তিনি সফর সঙ্গীদের নিয়ে তিনবিঘা করিডোর থেকে দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ভবন পরিদর্শনে যান। সেখানে তথ্যসেবা কেন্দ্রঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের কাছে সমস্যার কথা শোনেন।

২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন এবং দহগ্রামে স্থানীয় সুধীসমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতাবাসীর যাতায়াতের একমাত্র পথ তিনবিঘা করিডোর গেট খুলে দেন। ১৯৯২ সালের ২৬ জুন রেশনিং প্রথায় তিনবিঘা করিডোর গেট ২৪ ঘণ্টায় ৬ ঘণ্টা যাতায়াতের জন্য খোলা রাখা হয়। এরপর ২০০১ সালের ২১ এপ্রিল দিনের বেলা টানা সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত গেট খোলা রাখা হতো।

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই