ফেনী- ৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্যাহর গাড়ি বহরে ফের হামলা করেছে আওয়ামী লীগ কর্মীরা। এ সময় এমপির কার্যালয় ও পাঁচটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ কর্মীরা। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকালে ঢাকা আসার পথে সোনাগাজী জিরো পয়েন্টে রহিম উল্যাহর কার্যালয়ের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতদের উপজেলা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এমপি রহিম উল্যাহ জানান, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা যাওয়ার পথে সোনাগাজী জিরো পয়েন্টে তার অফিসে অবস্থান করলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক হিরণের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা করে। এতে তার ১৫ জন কর্মী সমর্থক আহত হন।
তিনি আরও জানান, সিন্ডিকেট নেতারা তার উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা তাকে সোনাগাজী আসতে দিচ্ছে না। পুলিশের সহযোগিতায় তার গাড়িটি রক্ষা পেয়েছে।
তবে সোনাগাজী থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) নবীর হোসেন জানান, এমপির গাড়িবহরে কোনো ধরণের হামলার ঘটনা ঘটেনি। তিনি ঢাকায় চলে গেছেন। পুলিশ তাকে ফেনী সীমান্ত পার করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় ফেনী সার্কিট হাউজে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে যুবলীগ নেতাদের হাতে লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হন এমপি রহিম উল্যাহ। এরপর থেকে তার ওপর ধারাবাহিক হামলা শুরু হয়।
গত ৯ ডিসেম্বর সোনাগাজী যাওয়ার পথে পুনরায় ফেনীর লালপুল ও সোনাগাজী জিরো পয়েন্টে তার গাড়িবহরে হামলা করে ছাত্রলীগ নেতারা। গত ২১ এপ্রিল সোনাগাজী উপজেলার চরসাহাভিখারী গ্রামে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতারা সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুলিশের গাড়িতে হামলা করে।
গত ৯ মে সোনাগাজী উপজেলার সাড়ে ১৪শ কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা পণ্ড করে দেন।
কেএইচ





