ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমের অন্যতম সুবিধা- দ্রুত সময়ে ভোট নেয়ার যায়। কিন্তু তাই বলে দেড় ঘণ্টায় পড়বে ১ ভোট! ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে এমনই চিত্র দেখা গেলো মিরপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে। ভোট শুরুর দেড় ঘণ্টা পর পড়ে প্রথম ভোট।
এরপর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আর ১০ জন ভোটার পাওয়া যায়নি। ভোটারের অপেক্ষায় বসে আসেন নির্বাচনী কর্মকর্তা ও এজেন্টরা।
মিরপুরের শাহ আলী কলেজেও দেখা গেছে একই চিত্র। সেখানে ৪টি কেন্দ্রে ১০ হাজার ভোটার থাকলেও সকাল থেকে কোনো ভিড় দেখা যায়নি। নেই কোনো উত্তেজনাও। ভোটের প্রথম অর্ধে ভোটারের সংখ্যা দশকের কোটা ছাড়ায়নি।
কোথাও কোথাও ইভিএম মেশিনের কিছু সমস্যার কথা জানা গেলেও, মিরপুরের এই কেন্দ্রগুলোর বেলায় ইভিএম মেশিনের কোনো দায় নেই। আসলে, ভোটার না এলে যন্ত্রের কী দায়!
এদিকে সকাল থেকেই মিতালী বিদ্যাপিঠ স্কুলের সকল কেন্দ্র দখলে নিয়ে নেয় সরকার দলীয় কাউন্সিলর প্রাথী আবুল কালাম আজাদের সমর্থকরা।
এসময় তারা বিএনিপির সকল এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। নারী এজেন্টদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার অভিযোগ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির মেয়র প্রাথী ইশরাক স্বামীবাগে ছুটে এলেও পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় কেন্দ্রে প্রবেশ না করেই ফিরে গেছেন।
এসময় ৪০নং ওয়ার্ডে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী মকবুল হোসেন খান টিপু বলেন, সকাল থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের নেতাকর্মী ভোটারদের মারধর করে কেন্দ্রের কাছে ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না।
যারা ঢুকছে তাদের ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে বের করে দিচ্ছে। কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে খলিল নামের এক ভোটারও ভোট দিতে না পারার কথা জানান।
এএস





