হিজবতো আর আমাদের দেশের সংস্কৃতি না এটা সৌদি আরবের তাহলে এটা আমরা কেন পড়বো বলে মন্তব্য বরেন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

রবিবার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত কর্মস্থলে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে আই এল ও কনভেনশন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গৃহ শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আইন চাই শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

 

মেনন বলেন, বাংলাদেশে নারী গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে তার বেশিরভাগ অমানবিক পরিশ্রম করে। বিরামহীন কাজ করেও গৃহকর্মীরা শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। গৃহকর্মীদের জন্য নেই কোন আইন, বিধি বা পরিদর্শনের কোন ব্যবস্থা। তাদের জন্য নেই নির্দিষ্ট ন্যূনতম মজুরি ব্যবস্থা। গৃহকর্মীরা প্রতিনিয়ত শারীরিক, মানসিক ও যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা জানি প্রতিবছর রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবাসীরা এক বড় অংকের রেমিট্যান্স পাঠায়। আমাদের সরকারের দায়িত্ব সেইসব গৃহশ্রমিকদের খেয়াল করা। কিন্তু আমরা তাদের সেইভাবে সাহায্য বা খেয়াল করতে পারিনা। যেসব প্রবাসী নারী শ্রমিকেরা আছে তাদের দেখভালের দায়িত্ব সরকারের।

 

লুৎফুন্নেসা খান বিউটি (এমপি) বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ আন্তর্জাতিক গৃহশ্রমিক দিবস আমাদের সমাজে ঘরে এখনো এমন অবস্থা রয়েছে যে সারাদিন কাজ করার পরও একজন গৃহিণীকে শুনতে হয় সারাদিন বাড়ি বাড়ি বসে কি করেছো?

সভায় সকলের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, কাজের মেয়েদের গায়ে হাত দিবেন না। তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন। এসময় তিনি গৃহশ্রমিকদের যৌন হয়রানি বন্ধে এক হওয়ার আহবান জানান।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এ্যডভোকেট জোবায়েদা পারভীন (এমপি), প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাসেদ খান মেনন, বিশেষ অতিথি লুৎফুননেসা খান বিউটি, জাতীয় গার্হস্হ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা আবুক হোসেন, ট্রেড ইউনিয়েনের সাধারণ সম্মাদক ড. ওয়াজেদুল ইসলাম প্রমুখ।

কর্মস্থলে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে আইএলও কনভেশন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং গৃহশ্রমিকের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নতুন করে আইন করার দাবী জানিয়েছে গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


এসএম/এসস