খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘট শুরু। বেনাপোল বন্দরের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। বন্দর থেকে মালামাল খালাশ বন্ধ।

আজ রোববার ভোর ৬ টা থেকে ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘট শুরু হযেছে বেনাপোল বন্দর সহ খুলনা বিভাগের ১০ জেলায়।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমিটি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানায় দায়ের করা সড়ক দুর্ঘটনার মামলা প্রভাবমুক্ত,ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ধর্মঘটের আহবান করেন নেতৃবৃন্দ। সকল রুটে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রযেছে।

ধর্ম ঘটের ফলে বেনাপোল বন্দরের সাথে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হযে পড়েছে। বেনাপোল বন্দর থেকে মালামাল খালাশ বন্ধ রযেছে। তবে বন্দর ও কাস্টমস অভ্যন্তরে কাজকর্ম স্বাভাবিক রযেছে। তবে ভারত থেকে আসা শতশত পাসপোর্ট যাত্রীরা নানা দূর্ভোগের শিকার হয়ে আটকা পড়েছে বেনাপোল বন্দর এলাকার বিভিন্ন পরিবহন কাউনটারে।  

যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের দণি-পশ্চিমাঞ্চল কমিটির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম বক্স দুদু বলেন, মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানায় ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরসহ ৫ জন নিহত হন। এ ব্যাপারে সড়ক দুর্ঘটনা আইনে একটি নিয়মিত মামলা হয়।

মামলাটি বর্তমানে দায়ের করা সড়ক দুর্ঘটনার একটি মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরের স্ত্রী ১২ কোটি ৮২ লাখ ৫ হাজার ৪৫২ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আলাদা দু’টি মামলা করেছেন।

এছাড়া সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ক্ষতিপূরণ চেয়ে আরও একটি বিচারাধীন রয়েছে।

যা সরকারের ক্ষতিপূরণ আইনের পরিপন্থিভাবে এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবি করে আসলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

তিনি বলেন, মামলার বাদী ও আইনজীবীরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অন্যায় লাভের আশায় প্রচলিত আইনের বাইরে সড়ক দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন। যা মালিক-শ্রমিকদের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।

এমবি