কুষ্টিয়া শহরতলী চৌড়হাস ফুলতলা বাজারে অবৈধ ভাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে গড়ে তোলা পাকা দোকানঘরটি উচ্ছেদ করতে অভিযানে এসে অজ্ঞাত একটি ফোনেই বন্ধ হয়ে যায়। জানা গেছে, গত ৩দিন ধরে কুষ্টিয়া চৌড়হাস ফুলতলা বাজারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ জায়গায় অবৈধ ভাবে দখলদার উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গেলে উপর মহল থেকে একটি ফোন আসলে ওই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে স্থানীয় প্রশাসনসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুষ্টিয়ার টনক নড়ে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বুল ড্রোজারসহ জনবল নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তারা সরে জমিনে ঘুরে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযানে শুরু করে।সে সময় নির্বাহী প্রকৌশলীর মোবাইলে একটি ফোন আসলে মুহুর্তেই উৎচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করে দেয়া হয়।
সুত্র জানায়, কুষ্টিয়া শহরতলী চৌড়হাস ফুলতলা বাজারের গোলাম মোস্তফার স্ত্রী মমতাজ মোস্তফা অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ১২টি পাকা ঘর নির্মান করছেন। প্রসঙ্গত, এই ব্যক্তি ২০০৭ সালে ও ২০১১ সালে অবৈধভাবে ওই স্থানেই দোকান ঘর নির্মান করার চেষ্টা করলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুষ্টিয়া ভেঙ্গে দেয়।
এরপরও মমতাজ মোস্তফা সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে গত মঙ্গলবার থেকে পুনরায় ওই স্থানেই ১২টি দোকান ঘর নির্মান কাজ শুরু করে। এই ঘটনা সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুষ্টিয়া জানতে পারলে নির্বাহী প্রকৌশলী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মান করা থেকে বিরত থাকতে বলে আসেন।
এরই মধ্যে মমতাজ মোস্তফার নিকট জায়গা ছেড়ে দেয়ার জন্য একটি নোটিশ প্রদান করা হয়। যার স্মারক নং ৫২ তারিখ ১৩/১/২০১৪।
এর পরেও দোকান ঘর নির্মান বন্ধ হয়নি। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গার পিছনে স্থানীয়রা দোকান পাঠ নির্মান করে ব্যবসা বানিজ্য করছে। তা ছাড়া বেশ কয়েকটি পাকা বিল্ডিং বাড়ী নির্মান করে বসবাস করা হচ্ছে।
ওই জায়গায় অবৈধভাবে পাকা দোকান ঘর নির্মান করায় পিছনের দোকান পাঠ ও আবাসিক বাড়ীর রাস্তা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে এলাকার পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। কার ফোনে উৎচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হলো তা নিয়ে কুষ্টিয়া শহরে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এসএইচ





