গাজীপুরের কালিয়াকৈরে যুবলীগ নেতা মো. রফিকুল ইসলাম হত্যার প্রতিবাদে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ডাকা আধাবেলা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ ২০-২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বড় ভাই মো. মামুন সিরাজুল মজিদ ওরফে মোতালেব দায়ের করা মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১০ নেতা-কর্মী নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এতে কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আকবর আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মোশারফ সিকদার, প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা ও উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান সরকার মোশারফ হোসেন জয়, প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা সিকদার মো. জহিরুল ইসলাম জয়, কালিয়াকৈর পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খাত্তাব মোল্লা, সভাপতি মো. রিয়াজ উদ্দিনসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন দলীয় এবং ব্যবসায়ীক বিষয় নিয়ে আসামিরা রফিকের সঙ্গে শক্রতা করে আসছিল।
হরতাল চলাকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কালিয়াকৈর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মান্নান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় সংগঠনের সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রানা, আটাবহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ আলীম, হারুন অর রশীদ প্রমুখ।
এ সময় নেতা-কর্মীরা খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকালে কালিয়াকৈর পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা চলাকালে মঞ্চের কাছে সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কালিয়াকৈর উপজেলা যুবলীগের প্রাক্তন সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম নিহত হন।
এমকে





