প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন-২০১৬ পাস হলে তা হবে স্বেচ্ছাচারিতা ও নাগরিক অধিকার হরণের শামিল। এমনকি নতুন করে অসমতা এবং রাষ্ট্রহীনতাও তৈরি করবে এই আইন।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিকত্ব আইন ও অধিকার মোর্চা আয়োজিত নাগরিক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘এটা একটা স্বেচ্ছাচারিতামূলক আইন। এখানে নাগরিকের কোনো মতামত নেওয়া হয়নি এবং নাগরিকের অধিকার হরণের একটা প্রচেষ্টা।’
দলীয়করণের কারণে চারদিকে অযোগ্যতার ছাপ পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন সুজন সম্পাদক।
অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, ‘যে আইন বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিক তৈরির একটি রেসিপি হিসেবে আমাদের সামনে এসেছে, আমরা এটাকে গ্রহণ করি না।
আমরা আশা করি, যে উদ্বেগ আমরা প্রকাশ করেছি, কর্তৃপক্ষ সেগুলো যথাযথ বিবেচনায় নেবে।’
অন্য বক্তারা বলেন, ১৯৫১ সালের যে নাগরিকত্ব আইন রয়েছে তার চেয়েও দুর্বল এই আইন। প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করেন তাঁরা।
আইনটি পাস হলে উগ্র জাতীয়তাবাদের মনোভাব তৈরি হবে। আর বাবার অপরাধের জন্য ছেলেকে দায়ী করা হয়েছে খসড়া আইনটিতে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তাই আইনটি পাস করার আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আরো মতবিনিময় করে যুগোপযোগী করারও তাগিদ দেন বক্তারা।
এমবি





