র্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ২০০৪ সালের পর থেকে জঙ্গীদের কোন কর্মকান্ডই সফলতা পায় নি। তারা কোন বড় ঘটনাও ঘটাতে পারে নি।
কারণ এর পিছনে আমাদের সফলতা রয়েছে। জঙ্গীদের ব্যর্থতাই আমাদের সফলতা।
রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১য়ে ‘জিম্মি উদ্ধার মহড়া’ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। রেফ্লিং, বিল্ডিং ক্লাইম্বিং ও হাউজ ক্লিলিয়ারিং তিন পদ্ধতিতে এ উদ্ধার মহড়া পরিচালনা করা হয়।
বেনজীর আহমেদ বলেন, র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে জঙ্গী তৎপরতা অনেক কমে গিয়েছে। অবশ্য এর জন্য বাংলাদেশের জনগণের অবশ্যই অবদান রয়েছে।
বাংলাদেশের মানুষ শান্তি প্রিয়। এদেশের মানুষ জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস পছন্দ করে না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে র্যাব জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূল করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। নিয়মিত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কাজের স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখা সম্ভব। র্যাবের মত এমন একটি এলিট ফোর্সের জন্য তাই নিয়মিত প্রশিক্ষণ জরুরি। এ জন্য অবশ্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও প্রয়োজন।
র্যাব ফোর্সকে নিয়মিত মহড়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত মহড়া করলে যে কোন সময় যে কোন পরিস্থিতির জন্য র্যাব সব সময় প্রস্তুত থাকতে পারবে। এতে করে কোন অপারেশনই জটিল হবে না।
ত্রিমাত্রিক সক্ষমতার সাহায্যে র্যাব যে কোন সময় দেশ-জাতির নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সব সময় প্রস্তুত বলেও জানান র্যাবের ডিজি।
এ সময় র্যাবের অতিরিক্ত মহা-পরিচালক কর্ণেল জিয়াউল আহসান, গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আজাদ আবুল কালাম, লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান, উপ-পরিচালক মেজর রুম্মান মাহমুদ, সহকারী পরিচালক ক্যাপটেন মো. মাকসুদুল আলমসহ র্যাবের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এআই/এসএইচ





