রাজশাহীতে শাহরিয়ার আলম কাব্য নামে ৭ বছরের ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার পর মা তাসলিমা খাতুন (৪৫) আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নগরের বুধপাড়া ঢালান এলাকায় শনিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ নিহত কাব্যের লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহত মা তসলিমাকে উদ্ধার করে একই হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
কাব্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল মডেল স্কুলের শিশু শ্রেণির ছাত্র ছিল।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, নিহত কাব্যের বাবা রফিক মাষ্টার মেহেরচণ্ডি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় কাব্যকে তার বাবা নগরীর সাধুর মোড় এলাকায় নানার বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন। ছেলেকে বাড়িতে রেখে দোকানে যান তিনি। এরপর রাতে বাড়ি ফিরে ঘরটি ভেতর থেকে বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকি করে দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের ডাক দেন তিনি। দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে তাকালে দেখতে পান কাব্য রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে। পাশে মা তসলিমাও অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে থানায় খবর দিলে দরজা ভেঙে ভেতরে শিশু কাব্যেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কাব্যের সারা শরীরে কোপের চিহ্ন রয়েছে। যেহেতু শিশু শাহরিয়ার ও তার মা ছাড়া ঘরের ভেতরে কেউ ছিল না। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ছেলেকে হত্যার পরে মা নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে, তসলিমা কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তসলিমা পুলিশ হেফজতে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এম এ





