বর্ষবরণের আনন্দে লেগেছে সবার মনে-প্রানে।ছেলে -মেয়েরা বর্ষবরণকে উদযাপন করতে সেজেছে বিভিন্ন রঙিন সাজে।রাস্তায় ছুটো-ছুটি করছে উৎসব মুখর শিশুরাও। সবাই আজ বৈশাখের আয়োজনে নিজেকে শামিল করতে মনের আনন্দে ছুটেছে চারদিকে।
বাঙালির সার্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে একে একে আসতে শুরু করেছে নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষেরা।
প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে, কেউ বা পরিবারকে নিয়ে হেঁটে চলেছেন। আজ যেনো সবাই আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠতে চাইছে। বাঙালিয়ানা রয়েছে সাবার মনেই, তবে এর পরিমাণটা আজ যেনো অনেক বেশি। মনের বাঙালি ভাবটা আজ নিজের অজান্তেই প্রকাশ পাচ্ছে সবার কাছেই।
‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ সবার মনেই আজ সুরের ভুবনে দোল খাচ্ছে।
‘বাঙালির এ সার্বজনীন উৎসবকে সবাই যেন স্বাধীনভাবে, নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপন করতে পেরে এ কামনাই করছি'।হাসিমুখে বললেন হামিদা ইয়াসমিন নিপা। সকাল বেলায় শাহবাগে এসেছেন তিনি। সঙ্গে আছেন পরিবারের সদস্যরাও।
বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা অংশ নিতে ছেলে সাব্বিরকে সঙ্গে এনেছেন।
পয়েলা বৈশাখ বাঙালির উৎসব। এ উৎসবে কোনো ধর্মের নয়। ধর্ম-বর্ণ নিবিশেষে উৎসবটি আমরা উদযাপন করতে এসেছি।
প্রতিবছরই পয়েলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা হয়। খুব ভালো লাগে। আমি বাঙালি, এটাই আমার গর্ভ।
এইচ ই





