ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ৩৮ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার চাঁদপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা শারমিন তাদের বিশেষ ক্ষমতার আইনের ১৬ (২) ৩০৭, ৩২৬ ধারায় জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ ইউনুছ, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন পাটওয়ারী, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আ. মতিন রাঢ়ি, ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু ও যুগ্ম-আহ্বায়ক ফজলুর রহমানসহ ৩৮ নেতাকর্মীকে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠায়।
বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস ও আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র রক্ষা দিবসকে কেন্দ্র করে ফরিদগঞ্জে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও পুলিশের কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে ৮১ জনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করে।
পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তাজউদ্দিন তদন্ত করে ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে চার্জশিট দাখিল করেন। বৃহস্পতিবার চাঁদপুর আদালতে ৮৭ জনের মধ্যে ৩৮ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা শারমিন তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
মামলায় আসামিপক্ষে ছিলেন-অ্যাড. কামরুল ইসলাম, অ্যাড. ইকবাল-বিন-বাশার, অ্যাড. একেএম সালেহ, অ্যাড. মিজানুর রহমান, অ্যাড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, অ্যাড. হারুনুর রশিদ, অ্যাড. শামছুল ইসলাম মন্টু পাটওয়ারী, অ্যাড. হারিছ আহমেদ, অ্যাড. মাইনুল ইসলাম ও অ্যাড. সালমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সিএসআই মো. মোশারফ।
জেলহাজতে পাঠানো অন্যান্য নেতাকর্মীরা হলেন-বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম, নান্নু, হাসান আহমেদ সুমন, মামুন, লিটন, সেলিম পটোয়ারী, আবুল খায়ের খান, রিপন (ওরফে কানা রিপন), আবু সায়েদ, ফারুক খান, দেলোয়ার হোসেন মেম্বার, মাওলানা আ. মান্নান, নাছির উদ্দিন (ওরফে কাঠ নাছির), মহসিন মোল্লা, স্বপন, হেলাল, শামীম হোসেন, ইউনুছ মাওলানা, মাওলানা কফিল উদ্দিন, শাওন পাঠান, ভুট্টু, সুফিয়ান ভূঁইয়া, কামরুল ইসলাম, বিল্লাল, ওসমান পাটোয়ারী, রোকনউদ্দিন, খালেক জমাদার, সুমন, হাবিব উল্লাহ, মাওলানা ইয়াহিয়া, স্বপন, খোকন, মোখলেছুর রহমান ও সোহেল খান।
জেআই





