হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের নূন্যতম ৩০%হোমিওপ্যাথির জন্য বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হচ্ছেনা দাবি করে আলোচকরা বলেন,দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ভাগ মানুষ হোমিও পদ্ধতিতে চিকিৎসা সেবা নিলেও এ খাতে সরকারের বরাদ্দ মাত্র ৯কোটি ১৪লক্ষ টাকা যা জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র দশমিক শূণ্য ৭ ভাগ।যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগন্য ও অপ্রতুল।
বক্তারা বলেন, হোমিওপ্যাথি দেশের সাধারণ মানুষের দিন কালের বন্ধু।প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জটিল ও ক্রনিক রোগে তথা কমিউনিক্যাবল এবং নন-কমিউনিক্যাবল ডিজিজেস এ চিকিৎসা পদ্ধতির দ্বারা দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকে।
তারা আরো বলেন,আমাদের দেশে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সফল না হওয়ার পেছনে মূল সমস্যা হচ্ছে দেশের প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির সাথে (WHO)স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিকস চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়ন ও সমন্বয়ের অভাব।কেবল মাত্র এলোপ্যাথিক চিকিৎসকদের দিয়েই এদেশে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয়।তাই দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় রেখে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ত্বরাম্বিত করতে হলে প্রয়োজন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত নিরাপদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি তথা স্বল্পমূল্যের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থারর ব্যাপক সহযোগিতা ।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ডা:দিলীপ কুমার রায়, রেজিস্ট্রার-কাম-সেক্রেটারী,ডা:মোঃজাহাঙ্গীর আলমসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।
ইআর/এমবি





