সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে অনুমতিবিহীন বিভিন্ন স্থানে ইটভাটা গড়ে উঠেছে। আর ওইসব ইটভাটায় অবাধে পুড়ছে কয়লার পরিবর্তে কাঠ। এতে পরিবেশ চরম হুমকির মুখে পড়ছে। কিন্তু, এতে মাথা ব্যথা নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এদিকে এ ধরনের ইটভাটায় খুব দ্রুত এ্যাকশনে যাওয়ার কথা বললেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা।
জানা যায়, মজম বাজার সংলগ্ন এলাকার সাচড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে এ বছর নতুন ভাবে গড়ে উঠেছে স্বর্ণা নামের একটি ইটভাটা। কোন রকম সরকারী অনুমতি ছাড়াই গড়ে তোলেন এই ইটভাটাটি। ইটভাটার আশপাশে কৃষক জমি ও বৃক্ষের বড় বড় বাগান রয়েছে। ইটভাটায় কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানো নিয়ম থাকলেও ওই ইটভাটার চিত্র ভিন্ন। শুরু থেকেই এ ইটভাটাটিতে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ । এতে আশপাশের এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। গতকাল সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এর বাস্তব চিত্র।
অভিযোগ রয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে বোরহানউদ্দিনের বিভিন্ন স্থানে এভাবে দিনের পর দিন কাঠ পুড়িয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটার মালিকরা। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো কিছু অভিযান দিলেও প্রকৃত দোষীরা রয়েছে ধরাছোয়ার বাহিরে।
এ ব্যাপারে ইটভাটার মালিক রুহুল আমিনের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, অনুমতির জন্য আবেদন করেছি। কিছু কাঠ পুরানোর কথা স্বীকার করে তিনি।
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ইন-চার্জ রতন কৃঞ্চ রায় চৌধুরী জানান, অবৈধভাবে ইটভাটা এবং ইটভাটায় কাঠ পুড়ালে নির্বাহী মেজিস্ট্রেটসহ ওই সকল ইটভাটায় অভিযান পরিচালনায় সহায়তার জন্য প্রস্তুত আছি।
এ ব্যাপারে বরিশাল জোনের পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সুকুমার বিশ্বাস তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, স্বর্ণা নামের একটি ইটভাটার ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছে। কিন্তু ওই স্থানে ইটভাটার পরিবেশ না থাকায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। আর এ ধরনের যারাই অবৈধ ভাবে ইটভাটা এবং ইটভাটায় কাঠ পড়াচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত মোবাইল কোর্ট দিয়ে জেল জরিমানা করা হবে।
ইআর





