এখনও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই। অবশ্যই অংশগ্রহণমূলক হবে। সবাই অংশগ্রহণ করছে।’

আজ (২৫ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর টিকাটুলীতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সিইসি এই মন্তব্য করেন।

আজ দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে পরে ইসি সচিব কথা বলবেন।” 

ইভিএম নিয়ে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, “ইভিএম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ইভিএমের ব্যবহারকে জনগণ স্বাগত জানিয়েছে।”

সিইসির পদত্যাগ দাবি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার পদত্যাগ দাবি করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।  

আজ (২৫ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার রাতে ঐক্যফ্রন্টের জরুরী সভা শেষে এই দাবির কথা জানান বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগীর।

বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল সিইসির সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে সিইসির আচরণের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন নয়, হোলি খেলা হচ্ছে।

এর আগে বিকালে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভা বর্জনের পর আজ (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক ডাকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আগে দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে চলমান বৈঠক বর্জন করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বেরিয়ে আসেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। ওই দুপুরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে উত্ত্যপ্ত বাক্যবিনিময় হয় দু’পক্ষে। একপর্যায়ে সভাশেষ না করেই সংক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে যান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনসহ অন্যরা।

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে হামলা-বাধা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ শুনতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অনীহা প্রকাশ করেন। উপরন্তু তিনি পুলিশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতার সঙ্গে ‘অশোভন আচরণ’করেন। এই কারণে তারা সভা থেকে উঠে আসেন।  

এমবি