ফারজানা মিতু একজন তরুণ কথাশিল্পী। আজ( ১১ ডিসেম্বর) তার জন্মদিন।

সদা হাস্যজ্জল একজন প্রতিভাবান লেখক ফারজানা মিতু। বাবার মায়ের খুব আদরে কেটেছে ছোটবেলা তার। স্বপ্নের বিশাল জগতে অবাধ বিচরণ প্রচন্ড কল্পনা বিলাসী এই লেখকের। একে একে ঘুরে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর ৩৫ টি দেশ। নানান দেশের নানান মানুষের সাথে মিশে তাঁর অভিজ্ঞটা রীতিমতো ঈষনীয়। কিন্তু তিনি নিজে ঈর্ষা করেন না কাউকে।

অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটান তিনি কবিতা লেখার সময়। শেষের লাইনটা সবার আগে লিখে শুরু করেন কবিতা। অথবা বলতে হয় তিনি আগেই কবিতার নিয়তি ঠিক করে রাখেন।

টুকটাক লেখালেখি করেছেন স্কুল জীবন থেকেই । খুব অল্প কিছু মানুষ আছেন যারা সাফল্যের সাথে হাঁটেন হাত ধরে পরস্পর। ফারজানা মিতু তেমন একজন মানুষ যিনি প্রথম কবিতার বইটিতেই হৈচৈ ফেলে দেন। লেখালেখি তার ভাবাবেগ।

কবিতার প্রেমে ডুবে থাকা এই মানুষটা একটা সময় উৎসাহী হয়ে ওঠেন উপন্যাস লেখার প্রতি। কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও কলাম লিখে চলেছেন, নিরলস। এ পর্যন্ত ৩টি কবিতা ও ১১টি উপন্যাস গ্রন্থ বেরিয়েছে। তার উল্লেখযোখ্য বইÑ নিশীথ রাতের বাদলধারা, তোমার লাগি আছি জেগে, কে জানে কাহার তরে, তোমাতে করিবো বাস , কেটেছে একেলা বিরহের বেলা, আমার অদৃষ্টে তুমি, যে আঁধারে তুমি নেই।

তিনি বিশ্বাস করেন ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে তিনি ১৬ হাজার পাঠক অন্তত তৈরী করতে পারবেন। মূলত রোমান্টিক ধারার একটা ভিন্ন মাত্রা দেবার চেষ্টা ফারজানা মিতুর একান্ত আগ্রহের বিষয়। আগামী বইমেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন খুব জোরেসোরেই। অবসর নেই তার। তারপরও ক্লান্তি নেই লেখালেখিতে। মনের আনন্দে লিখে চলেছেন নতুন নতুন উপন্যাস। লেখার প্রতি ভালবাসা তাকে আন্দোলিত করে।

সব বয়সের পাঠকের কথা মাথায় রেখেই লিখেন তিনি। সমালোচিত হয়েছেন “আমারে না হয় না জানো” লিখে। প্রকাশিত হওয়া সর্ব শেষ উপন্যাস এটি। জীবনের শেষদিন পযন্ত লিখতে চান পাঠকের জন্য। সবার শুভ কামনা করেন। দেশকে ভালোবাসেন। নইলে পৃথিবীর যে কোন দেশেই তিনি স্থায়ী হয়ে যেতে পারতেন।তিনি ফিরে এসেছেন বার বার দেশের টানে, নাড়ীর টানে। সেবামূলক কাজেও তার উৎসাহের শেষ নেই।

গত বছর ফারজানা মিতুকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ক্যান্সার সচেতনার জন্য লিফলেট বিতরণ করতে দেখা গেছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজের সামনে। এ বছরও অক্টোবর মাসব্যাপী স্তনক্যান্সার সচেনতা মূলক সব কর্মকাণ্ডে তাকে দেখা গেছে। আর আগামী মাসে জরায়ু ক্যান্সার নিয়েও ব্যাস্ত সময় কাটাবেন।