বাংলাদেশ ও এস্তোনিয়ার মধ্যে আইসিটি খাতে সহযোগিতা জোরদারের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।জাতিসংঘ সদরদফতরে বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্স্টি কালজুলাইদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আলোচনা হয়।
বৈঠক সম্পর্কে ব্রিফিংকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বলেন, প্রেসিডেন্ট কার্স্টি বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় আইসিটি খাতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্য তুলে ধরেন। উভয় নেতা পরস্পরের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আইসিটি খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্র সচিব এম. শহিদুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠককালে দুই নেতা অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়েও আলোচনা করেন।
বিকেলে নেদারল্যান্ডসের রানী ও জাতিসংঘের অর্থায়ন বিষয়ক বিশেষ দূত ম্যাক্সিমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, রানী ম্যাক্সিমা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। নেদারল্যান্ডসের রানী রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেল কক্ষে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) মহাপরিচালক উইলিয়াম লাকি সুইং দেখা করেন।
এ সময় আইওএম-এর মহাপরিচালক মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য আইওএম এর ত্রাণ তৎপরতার বিষয়ে অবহিত করেন।
উইলিয়াম লাকি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তিনি ৫ ও ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ সফর করবেন। বাংলাদেশে ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নেওয়া জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর মধ্যে আইওএম শীর্ষে রয়েছে।
এমএ





