গণহারে ফেলসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে করা সড়ক অবরোধ আজকের মতো স্থগিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
তবে আগামীকাল বুধবার (২৪ এপ্রিল) আবারো সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নিবে শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, সমস্যা সমাধান না হলে, এই অবরোধ কর্মসূচী চালিয়ে যাবেন।
এসময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। ‘গণহারে আর ফেল নয়,যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়,শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল,ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ করো অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছো টাকা দিচ্ছ বাশ,সময় শেষে সর্বনাশ’-এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে।
তবে বুধবার (২৪ এপ্রিল) আবারো সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নিবে শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, সমস্যা সমাধান না হলে, এই অবরোধ কর্মসূচী চালিয়ে যাবেন।
অবরোধ তুলে নেয়ার পর ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করেন সাত কলেজ অধিভুক্ত শিক্ষার্থীরা।
যা রাজধানীর নীলক্ষেত ও সাইন্সল্যাব পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এরপর বেলা ২টা পর্যন্ত সড়ক আটকে বিক্ষোভ করেন তারা।
শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাবির অধিভুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ৯ মাস সাত কলেজের কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
তারপর মানববন্ধন, অনশন কর্মসূচি সর্বশেষ সিদ্দিকের (তিতুমির কলেজের শিক্ষার্থী) চোঁখের বিনিময়ে ঢাবি আমাদের কার্যক্রম ধীরগতিতে শুরু করে। প্রায় ২ বছর ২ মাস অতিবাহিত হলেও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কোনো সুফল ভোগ করতে পারছে না।
শিক্ষার্থীদের দাবি, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। সবশেষ পরীক্ষায় ঢাকা কলেজ বাংলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ২১৬ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সব বিষয়ে পাশ করেছেন মাত্র ৩ জন। রসায়নে ৪৮ জনের মধ্যে ৪০ জন অকৃতকার্য হয়েছেন।
এএস





