বন্দরনগরী চট্টগ্রামে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মোটর চালিত রিকশা উচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে ভাড়া নিয়ে চরম নৈরাজ্য শুরু করেছে সিএনজি অটোরিক্সা এবং প্যাডেল রিকশা চালকরা। যানবাহন সংকটের সুযোগ নিয়ে দু থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া হাঁকছে তারা। আর প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে এসব চালকদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে নগরবাসী।
ক্রমাগত দুর্ঘটনার কারণে মোটর চালিত রিকশার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলো যে নগরবাসী, এখন তারাই বলছেন উল্টো কথা। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই এসব রিকশা উচ্ছেদের ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদেরই। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গত ৩১ আগস্ট থেকে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ শুরু করেছে মোটর চালিত রিকশা বিরোধী অভিযান। ফলে একদিকে রাস্তায় নেই প্রয়োজনীয় রিকশা কিংবা ট্যাক্সি। অল্প কিছু পাওয়া গেলেও তার ভাড়া চাওয়া হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি।
যানবাহন সংকটের সুযোগে পোয়াবারো এখন প্যাডেল রিক্সা এবং সিএনজি অটোরিকশা চালকদের। সব কিছু চলছে তাদের মেজাজ-মর্জি অনুযায়ী। কেউ হয়তো ভাড়া বেশি নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও কেউ কেউ তুলে ধরছেন নানা অজুহাত।
সিএনজি চালক রহিম বলেন, ভাড়া দুই এক জন বেশী নিচ্ছে সবাই নিচ্ছে কিন্তু সবাই নিচ্ছে নাতো। এদিকে সিএনজি চালক জাহিদ বলেন, জ্যামের কারণে ভাড়া বেশী নেওয়া হচ্ছে। যেখানে ৩০০ টাকা সেখানে ২০/৩০ টাকা বেশী নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এক্ষেত্রে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এ শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি, পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক। ভাড়া কিছুটা বাড়লেও তা কয়েকদিনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
সিএমপি উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) ফারুক আহমেদ বলেন,"সাময়িকভাবে রিক্সার ঘটতি হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ভাড়া কিছুটা বাড়তে পারে। তাই বলে অস্বাভাবিক ভাবে ভাড়া বেড়েছে তা নয়। আর এমন কোনো খবরও আমাদের কাছে আসেনি।"
চট্টগ্রামে বৈধভাবে রিকশা চলাচলের অনুমতি রয়েছে ৩৫ হাজার ১টি। তার বিপরীতে চলাচল করছে অন্তত দু’লাখ রিকশা। এর মধ্যে অন্তত ৫০ হাজার রিকশা মোটরে রূপান্তরিত করা হয়েছিলো।
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





