ডা. মোহাম্মদ ইকবাল মাহমুদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। ২৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১০ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি।

সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যানেসথেসিওলজি বিষয়ে প্রশিক্ষণরত ছিলেন। গত ১৪ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর সদরের বাসা থেকে বাসে চড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। শেষরাতের দিকে নামেন ধানমণ্ডির সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে। বাস থেকে নামতেই সাত-আটজন তাঁকে ধরে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পাশের একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে সেই দৃশ্য। এর পর থেকে তাঁর আর খোঁজ মেলেনি।

ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেছেন তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম নুরুল আলম। তারপর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), থানা, র‌্যাব, আদালত, সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করছে স্বজনরা। দুই শিশুসন্তান আনাছ ও আয়েশাকে নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী ডা. সহাদা ইয়াসমিন। মা শামীমা আক্তার কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন। তবে ইকবালের হদিস মেলেনি। মাঝে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা করে এক লাখ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র।

ইকবালের বাবা এ কে এম নুরুল আলম বলেন, ‘সবার কাছে সহায়তা চেয়ে শেষে আমরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। ইকবালকে উদ্ধারে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই। আমরা এখন অসহায় হয়ে অমানবিকভাবে দিন কাটাচ্ছি।’ তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমণ্ডি থানার এসআই রিপন কুমার সাহা বলছেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছেন তাঁরা।

মাসখানেক আগে রাজধানীর কাফরুলের সেনপাড়া পর্বতা এলাকার বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম (৩০) বাসার কাছে থেকেই নিখোঁজ হন। তিনি ছিলেন ওই এলাকার বিকাশের এজেন্ট। এ ঘটনায় ১৪ নভেম্বর কাফরুল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর-৮২৫) করেন সাইদুলের বাবা নাজিম উদ্দিন। তবে এখনো ছেলের সন্ধান পাননি তিনি। সাইদুলের স্ত্রী আঁখি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর কোনো শত্রু নেই।

কেন যে হারিয়ে গেল, জানি না। ছেলেকে না পেয়ে মা-বাবাও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ’

ডা. ইকবাল ও সাইদুলের স্বজনদের মতোই অপেক্ষা করছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী সুজনের স্বজনরা। তবে তাদের অপেক্ষা ছয় বছর গড়িয়েছে। তাঁর ভাই মাহবুবুর রহমান জানান, ২০১০ সালের ২৪ মার্চ থেকে নিখোঁজ সুজন। তাঁকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের টিঅ্যান্ডটি মাঠসংলগ্ন এলাকা থেকে তুলে নেওয়া হয়।

মাহবুবুর বলেন, ‘লোকমুখে শুনেছি মেরে ফেলা হয়েছে, কিন্তু লাশ পাইনি। যদি সত্যিই আমার ভাইকে মেরে ফেলা হয়ে থাকে, তবে সেই খবরটুকু অন্তত জানতে চাই আমরা। ’

এভাবেই প্রিয় স্বজনের খবরের অপেক্ষায় চরম উৎকণ্ঠায় দিন গুনছে অন্তত ৩৩২টি পরিবার। স্বজনদের সন্ধান চেয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরছে তারা। অনেক পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নিখোঁজ থাকায় পরিবারের অন্য সদস্যরা পড়েছে চরম সংকটে।

দিন, মাস, বছর গড়ালেও নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাঝেমধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে কারো কারো লাশ উদ্ধার হয়। তবে সেই হত্যার রহস্যও অজানাই থেকে যাচ্ছে। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধেই আটকের অভিযোগ উঠছে, তবে সেই অভিযোগেরও কোনো সুরাহা হয় না।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য মতে, গত ৯ বছর সাত মাসে ৪৫৭ জন নিখোঁজ হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে ৩৩২ জনের এখনো খোঁজ মেলেনি। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে নিখোঁজ ৬০ জনের মধ্যে ৩২ জনের এখনো হদিস মেলেনি। বাকি ২৮ জনের মধ্যে সাতজনের লাশ পাওয়া গেছে।

তিনজন ফিরে এসেছেন এবং ১৮ জনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। গত বছর নিখোঁজ হয় ৫৫ জন। তাঁদের মধ্যে আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, সাতজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, ফিরে এসেছেন পাঁচজন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৩৫ জন।

আরেক মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত গুম হয়েছেন ১৬৪ জন। এর মধ্যে ২০১৩ সালে ৫৩, ২০১৪ সালে ৩৯ ও ২০১৫ সালে ৩৮ জন গুম হয়েছেন। চলতি বছরের ১১ মাসে নিখোঁজ হয়েছেন ৭০ জন, যাঁদের মধ্যে ৩৪ জনকে গুম করার অভিযোগ আছে।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করছে, পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্য সংস্থাগুলো ঘটনার কার্যকর তদন্তই করে না। এ অবস্থায় আজ শনিবার (১০ ডিসেম্বর) পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। এ প্রেক্ষাপটে মানবাধিকারকর্মী ও অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, একের পর এক মানুষ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধারের ঘটনার সুরাহা না হওয়া চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।

এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা, জবাবদিহির অভাব, মানবিক বিপর্যয়সহ অনেক খারাপ দিক সামনে চলে আসছে, যা মানবাধিকার ও অপরাধের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের মাধ্যমে প্রতিটি ঘটনা তদন্তের সুপারিশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে আবার অপহরণ, গুম ও গুপ্তহত্যার ঘটনা বেড়ে গেছে। সর্বশেষ গত সোমবার নাটোর পৌর যুবলীগের তিন নেতাকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকে। তাঁরা হলেন নাটোর সদর উপজেলার কানাইখালী এলাকার রেদওয়ান আহমেদ সাব্বির (৩২), আবু আব্দুল্লাহ (৩০) ও সোহেল আহমেদ (৩২)। সাব্বির নাটোর পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। বাকি দুজন পৌর যুবলীগের কর্মী। ঘটনার দুই দিন আগে তাঁরা নিখোঁজ হন।

গত ২৯ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা ও পাবনায় আট শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। তাঁদের নিখোঁজ রহস্যের কিনারা এখনো হয়নি। গত ৪ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছে ২০টি পরিবার। এর আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে রাজধানী থেকে নিখোঁজ হয়েছেন সেই ২০ জন।

আসকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী নূর খান লিটন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাষ্ট্রের নাগরিকরা নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন, গুম হয়ে যাচ্ছেন। নিখোঁজ থাকার পর লাশ পাওয়া যাচ্ছে। বছরের পর বছর এসব ঘটনা ঘটছে। কিন্তু রাষ্ট্রের দৃশ্যমান কোনো কর্মকাণ্ড নেই। এসব ঘটনা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। সবারই বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা মানবিক বিপর্যয়ে আছে। কেউ গুম হলে তাঁকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব সরকারের। এ ক্ষেত্রে সরকার একটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে পারে। ভিকটিমের পরিবার, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ সবাই তাতে সাক্ষ্য দেবেন, যাতে এসব গুমের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ও অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, ‘প্রতিটি নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনার কার্যকর তদন্ত হওয়া জরুরি। কেননা অমীমাংসিত অপরাধের ঘটনা অন্য অপরাধীদের উৎসাহিত করে। অর্থাৎ অপরাধপ্রবণতা বাড়ায়। অপরাধীরা ওই কৌশলকে বারবার বেছে নেয়। ’

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, গুম বলে কোনো শব্দ নেই। এর আগে অনেকেই গুম হয়েছে বলে তাদের স্বজনরা দাবি করেছিল। পরে দেখা গেছে তাদের অনেকে ফিরেও এসেছে। অনেকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারের ভয়ে বা পুলিশের সঙ্গে মারামারি করে আত্মগোপনে চলে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার ফিরেও আসে।

গত বছরের ৯ জানুয়ারি রাজধানীর বিজয়নগরের মাহতাব সেন্টারের সামনে থেকে তুলে নেওয়া হয় গার্মেন্ট ব্যবসায়ী শিহাবুজ্জামান পাভেলকে (২৬)। তাঁর বাড়ি বগুড়ায়। তাঁর স্ত্রী নার্গিস আফসানা আক্তার জানান, পল্টন থানায় মামলা করার পর প্রায় দুই বছর ধরে তাঁরা ঘুরছেন। কেউ তাঁর স্বামীর হদিস দিতে পারেনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই দেওয়ান উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ‘মামলার পর থেকে অনেক জায়গায় খোঁজ করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাভেলকে পাওয়া যায়নি। ’

২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নিজাম উদ্দিন মুন্না। ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন বাবা শামসুদ্দিন। তিনি বলেন, ‘বাড়ির সামনে থেকে ডিবি পুলিশ লেখা মাইক্রোবাসে করে নিজাম ও তার বন্ধু তরিকুল ইসলামকে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, আমার ছেলেকে কোথায় পুঁতে রাখা হয়েছে তা বলে দিক। আমি ছেলের মাটি নিয়ে শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকব। ’

২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর গুম হন খালিদ হাসান সোহেল। তাঁর স্ত্রী শাম্মী সুলতানা বলেন, ‘জেলগেট থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে আমার স্বামীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এখনো ফিরে পাইনি। আমার চার বছরের সন্তান বাবাকে ছাড়া শৈশব পার করেছে। আমার সংসার কিভাবে চলছে রাষ্ট্র কি খোঁজ রাখছে?’

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক আনসার আলীকে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থেকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের। ইলিয়াসের স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, স্বামীর খোঁজে বছরের পর বছর অনেকবার অনেকের কাছে সাহায্য চাইতে গেছেন তিনি। কিন্তু কেউ তাঁর কোনো খোঁজ দিতে পারেননি। এখন তিনি শুধু সৃষ্টিকর্তার কাছেই প্রার্থনা করেন।

২০১০ সালের ২৫ জুন রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে আরেক বিএনপি নেতা চৌধুরী আলমকেও একইভাবে ‘তুলে নেওয়ার’ অভিযোগ ওঠে। ছয় বছরেও তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। তাঁর স্ত্রী হাসিনা চৌধুরী বলেন, ‘দুই মাস আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তারা জানিয়েছে, তদন্তে চৌধুরী আলমের নিখোঁজ হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমরা কোথায় গেলে সন্ধান পাব, বিচার পাব?’

২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ আল আমিনের ভাই রুহুল আমিন জানান, তাঁর ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষে এলএলবি পড়ছিলেন। তিনি ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো পদে ছিলেন না। পরিবারের স্বপ্ন ছিল তিনি লেখাপড়া শেষ করে সংসারের দায়িত্ব নেবেন। বাবা আহমাদুল্লাহ ও মা জেসমিন বেগম সারা দিন কাঁদেন। তিন বছর ধরে ছেলের খোঁজ না পেয়ে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

চার বছর ধরে নিখোঁজ মাজহারুল ইসলাম ওরফে রাসেলের বাবা আমিনুল হক কেঁদে বলেন, ‘আমার ছেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষে বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস করে। এরপর লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর সে নিখোঁজ হওয়ার পর র‌্যাব-১, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্স, পুলিশ সদর দপ্তর, ডিবি ও থানার পুলিশের কাছে অসংখ্যবার গিয়েছি। তারা শুধু বলে, আমরা আনিনি। খোঁজ নিচ্ছি; কিন্তু খোঁজ পাচ্ছি না। জানি না আমার ছেলেকে আর পাব কি না। ’

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী রিয়াজুল আলম বলেছেন, ‘নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। নিখোঁজের কোনো অভিযোগ আসামাত্র তা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে। নিরপেক্ষভাবে তার তদন্ত করতে হবে। ভিকটিম পরিবারকে তার স্বজনের অবস্থানের বিষয়ে জানাতে হবে। কেউ গুম বা নিখোঁজ হলে পরিবারকেও তা সঙ্গে সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাতে হবে। আমাদের কমিশনের কাছে যেসব অভিযোগ আসে সেগুলো আমরা গুরুত্ব সহকারে নিই এবং বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় তদন্ত করে থাকি।’(সূত্র-কালের কণ্ঠ)

এমবি