কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া স্বামী হত্যার বিচার চাওয়াতো দূরের কথা তিনি স্বামীর জন্য একটা মিলাদও পড়াননি। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে টেলিফোন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিতে চেয়েছিলেন। খালেদা জিয়া নির্বাচনে না এসে নির্বাচনী ট্রেন ফেল করে এখন রেললাইন উঠতে চাচ্ছেন। আসলে খালেদা জিয়া ভাল নাটক করতে পারেন। জাতীয় সংসদের ইলেকশনে না গিয়ে উপজেলা ইলেকশনে অংশগ্রহণ করলেন। তিনি আসলে মাছ খান না, মাছের ঝোল খান।
কৃষিমন্ত্রী শনিবার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বারমারী বাজারে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল। তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। যতদিন তার হায়াত আছে ততদিন কেউ তাকে মারতে পারবে না। দুধ কলা খেলেও সাপ কখনো পোষ মানে না। শেখ হাসিনা সেই বিষধর সাপের জন্য যা করা দরকার তাই করবেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া বোমাবাজ আর সন্ত্রাসীদের নেত্রী এটি প্রমাণিত হয়েছে। খালেদা জিয়ার উপর সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় তিনি থানায় জিডি করার পর তার নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়েছিল। বিশ্ব ইজতেমা শেষে আবার যখন তার পুলিশি নিরাপত্তা শিথিল করা হল তখনও তিনি বিএনপি অফিস থেকে বের হননি। বরং তিনি উল্টো প্রেস কনফারেন্স করে বলেন আওয়ামী লীগ নাকি দেশে জ্বালাও পোড়াও করছে। অথচ তার দলের লোক বোমা বানাতে গিয়ে হাতের কব্জি হারিয়েছেন।
এদিন মন্ত্রী ১১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০টি ইবতেদায়ী মাদ্রসার শিক্ষার্থীদের মাঝে মোট ২ হাজার ৭শ ৪০টি কম্বল বিতরণ করেন।
কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হক মাস্টারের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান আছমত আরা আছমা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর, পোড়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বন্দনা চাম্বুগং, সাধারণ সম্পাদক তোতা মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া প্রমুখ।
জেআই





