ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান 'আত্মহত্যা' করেছেন এমন প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেছে তার পরিবার ।বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশের কাছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেশ করেছে ফরেনসিক বিভাগ।রিপোর্ট এ আত্মহত্যার কারণে দিয়াজের মৃত্যু হয়েছে বলা হয়েছে।
হাটহাজারী থানা পুলিশ পরিদর্শক বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ফরেনসিক বিভাগের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আমাদের কাছে পৌঁছেছে। রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসেবে `আত্মহত্যা` উল্লেখ করেছে ফরেনসিক বিভাগ।
এই প্রতিবেদন প্রত্যাখান করে দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর বড় বোন অ্যাডভোকেট জুবাইদা সারওয়ার নিপা বলেন, আমরা নিশ্চিত আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই প্রতিবেদন প্রত্যাখান করছি। আমরা এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
দিয়াজের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) রেজাউল মাসুদ বলেন, আমরা ফরেনসিক বিভাগের তৈরি করা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। প্রতিবেদনে একজন অধ্যাপক ও দুইজন সহকারী অধ্যাপকের স্বাক্ষর রয়েছে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি আত্মহত্যা ছাড়া কিছু নয়।
তিনি দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর গলায় আঁচড়ের দাগ আত্মহত্যাকাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামের কারণে হয়েছে বলেও জানান।
উল্লেখ্য, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেইট এলাকায় নিজ বাসার কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি বিশ্ববদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ছিলেন তিনি।
মাসুম/নাজিব





