কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১১৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২৬টি পয়েন্ট হুমকির মুখে পড়েছে।
চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ কালিরকুড়া এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২০০ মিটার এলাকা ধ্বসে গেছে। বালির বস্তা ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করছে এলাকাবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড।
৯ উপজেলার ৫০ ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী গ্রাম, চর ও দ্বীপ চরের ৩০০ গ্রামের প্রায় দেড় লাখ মানুষ পাঁচ দিন ধরে পানি বন্দী জীবন যাপন করছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি, ওষুধ ও খাদ্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
বন্যা দুর্গতদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দের কথা জানালেও গত পাঁচ দিনেও বানভাসিদের মধ্যে পৌঁছায়নি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া তিস্তার পানি ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। কুড়িগ্রাম সেতু পয়েন্টে ধরলা ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধের ২৬টি পয়েন্ট হুমকীর মুখে পড়েছে। এর মধ্যে ২১টি পয়েন্টে বালির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চলছে।
এছাড়াও জেলার যে সব উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে সে সব পয়েন্টেও বালির বস্তা ফেলানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা, ২১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





