ভোলায় সুন্দর বন গ্যাস কোম্পানির কম্পিউটার অপারেটর বশির আহাম্মদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অন্য গ্রাহকের লাইন থেকে গ্যাস সংযোগ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে বশিরসহ একটি চক্র এভাবে অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
জানা যায়, শহরের চরনোয়াবাদ ওবায়দুল হক বাবুল মোল্লা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের সড়ক থেকে ইকবাল হোসেন নামের জনৈক গ্রাহকের গ্যাসের লাইনের পাইপ কেটে সুন্দর বন গ্যাস কোম্পানির ভোলা অফিসের কম্পিউটার অপারেটর বশির নিজের বাসাসহ আরও দুটি গ্যাসের সংযোগ নিয়েছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের প্রতিনিধি শহিদ জানান, তার কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে তিনি কিছু জানেন না। তিনি এই অন্যায়ের সাথে কোনভাবেই জড়িত নন। বিষয়টি নিয়ে এখন অফিসে তোলপাড় চলছে।
এদিকে সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির সহকারী ইঞ্জিনিয়ার নাসির জানান, অন্য গ্রাহকের লাইন থেকে সংযোগ দেয়া হয়নি। বশিরকে ২ ইঞ্চি অপটিক থেকে লাইন দেয়া হয়েছে। কিন্তু বশির জানান, তিনি কোন দুই ইঞ্চি অপটিক থেকে লাইন নেন নি।
লাইন নিয়েছেন ইকবাল হোসেন নামের এক গ্রাহকের লাইন থেকে। বশির আরও জানান, এভাবে লাইন নেয়ার কোন বিধান নেই। তবে তার আবেদনটি ২০১৪ সালের বিধায় আগের অনুমতি নেয়াছিল। তিনি কোন অবৈধ লাইন নেন নি।
ওবায়দুল হক বাবুল মোল্লা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়, সুন্দরবন অফিসের স্টাফ বাশির ও ইঞ্জিনিয়ার নাসিরসহ একটি গ্রুপ এভাবে অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
শুধু তা-ই নয় অবৈধ গ্যাসের সংযোগের জন্য ঢাকায় জিএমকে টাকা দেয়ার কথা বলে গাজিপুর রোড, পৌরবাপ্তা, আবহাওয়া অফিস সড়কসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা তোলা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ আরও অনেকে।
এসএইচ





