সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ও সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু মনে হচ্ছে দেশে পাইকারী হারে হত্যা ও গুমের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এভাবে জোর করে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা যাবে না।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী বলেন, বিএফইউজের সভাপতি— মেধাবী সাংবাদিক শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে বাস পোড়ানো এবং বিস্ফোরক আইনের দায়ের করা মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দ্যেশ করে বলেন, ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশকে বাচাঁন। এভাবে নির্বিচারে বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের হত্যার আর গুম করে রেহাই পাওয়া যাবে না।
বিএফইউজের মহাসচিব এম এ আজিজ বলেন, সরকারের কতিপয় মন্ত্রী এবং নেতাদের আচরণ বানর ও শিপাঞ্জির আচরণকেও হার মানিয়েছে। সরকারের ওইসব মন্ত্রী আর নেতাদের কারণেই দেশে রাজনৈতিবক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে গনতন্ত্র না থাকলে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা থাকে না।
ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পদত্যাগ করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করলেই সংকট কেটে যাবে।
তিনি বলেন, হিটলারী এবং হালাকু খানের কায়দায় হত্যা ও গুমের মাধ্যমে আর বেশিদিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না।
কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের সব খুনের দায়িত্ব নিয়েছে। গতকাল পুলিশের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, 'যা যা করা দরকার সব করুন দায়ীত্ব আমার (প্রধানমন্ত্রী)'। তার এ নির্দেশের ফলে একদিন এসব খুন আর গুমের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বহু মামলা হবে। সেদিন আর রেহাই পাবেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিএফইউজের সহ সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে এ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ষৈয়দ আবদাল আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক কাদের গনি, বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম মহসিন, সাধারণ সম্পাদক মীর আহমেদ মীরু প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
একে, জেএ





