কোরবানির পশু কেনার পরে ভিড় এখন ছুরি, চাপাতি আর খাইট্টার দোকানে। এজন্য পশুর হাটের আশেপাশেই বসেছে এসবের দোকান।
গতবারের চেয়ে দামও বেড়েছে কিছুটা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ব্যবসায়ী রাকিব জানান, এবার পাঁকা লোহার দাম একটু বেশি। তাই দাম কম হওয়ায় কাঁচা লোহার যন্ত্রপাতিই বেশি চলে।
এবার পশু জবাইয়ের প্রতিটি ছুরি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, চামড়া আলাদা করার ছোট ছুরি ৬০ টাকা, গোশত কাটার ছুরি ৮০ টাকা, লোহার হাতলের চাপাতি ৬৪০ টাকা, কাঠের হাতলের চাপাতি ৪৫০ টাকা, হাত কুড়াল দেশি মডেল ৯০০ টাকা, বিদেশি ১১০০ টাকা। এছাড়া বটির দাম হাঁকা হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত।
জানা যায়, গত দুই মাস আগেও কোরবানি করার জন্য পাকা লোহার এক সেট যন্ত্রপাতির দাম ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। সেই সেট এখন আর বিক্রি হয়না।
ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি যন্ত্রই আলাদা আলাদা করে কিনতে হবে বলে জানান রাজধানীর শ্যামপুরের এক যন্ত্রকারিগর।
দামের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার দোকানের জায়গার ভাড়া নেই। তাই স্বল্প লাভে মাল ছেড়ে দিচ্ছি। লোহার পরিমাণ এবং কারিগর ভেদে যন্ত্রপাতির দাম উঠা-নামা করে বলে জানান তিনি। তাই একই জিনিসের দাম একেক এলাকায় একেক রকম।
যন্ত্রপাতির পাশাপাশি চলছে গোশত কাটার জন্য খাইট্টার ব্যবসা। সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এই খাইট্টা। কোরবানির যন্ত্রপাতি ধার করা গেলেও খাইট্টা কিনতেই হবে। তাই মৌসুমি এ বাজার চড়া।
প্রতিবারের মত এবারও খাইট্টার ব্যবসা করছেন মতিন। তিনি জানান, কোন নির্দিষ্ট দর নেই খাইট্টার। দর-দামের মাধ্যমে যার কাছ থেকে যেমন নিতে পারছি তাই নিচ্ছি।
গোশত কাটার জন্য ২০০ টাকার খাইট্টা যেমন আছে। তেমনি কয়েক বছর ব্যবহার করতে পারবে এমন খাইট্টাও আছে বলে জানান তিনি। এটাতে গোশত ও হাড় দুইটাই কাটতে পারবে। এ খাইট্টার দাম ধরা হয়েছে ১৮০০ টাকা।
জেএ





