সকাল ১০টা আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে তাবলিগ জামাতের সাদ বিরোধী অংশের ইজতেমা। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের শুরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।
অন্যদিকে মাওলানা সাদ অনুসারীদের ইজতেমা শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি।
শুক্রবার আম ও খাস বয়ান, তালিম ও তাশকিল, নামাজ-কালাম ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর তুরাগতীরে কাটল বিশ্ব ইজতেমার প্রথমদিন। এদিন জুমার জামাতে শরিক হন কয়েক লাখ মুসল্লি। মাঠে জায়গা না পেয়ে আশপাশের রাস্তা, বাড়িঘর, দোকানপাট এমনকি নদী ও সড়কে বিভিন্ন যানবাহনেও শরিক হন জুমার জামাতে।
তাবলিগের শূরা সদস্য মাওলানা জোবায়ের আহমেদ এ জামাতে ইমামতি করেন।
শুক্রবার বাদ ফজর পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হকের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে এর আগেরদিন বৃহস্পতিবার আসরের পরই শুরু হয়েছিল ইজতেমার কার্যক্রম।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান প্রমুখ ময়দানে জুমার জামাতে অংশ নেন।
নামাজে শরিক হন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমেদ শফীসহ দেশের বহু বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম।
জেড





