আজ ২৬ মার্চ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ২০০৪ সালের আজকের এই দিনে স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটে এই বাহিনীর।

একই বছরের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখে) রমনা বটমূলে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে মাঠে নামে র‌্যাব। ওই বছর ২১ জুন রাজধানীর উত্তরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানকে ধরার অভিযান দিয়ে পূর্ণাঙ্গ অপারেশন কার্যক্রম শুরু করে তারা।

২০০৪ সালে রাজধানীসহ সারাদেশের জনগণ যখন সন্ত্রাসীদের হাতে এক ধরনের জিম্মি হয়ে পড়ে, তখন র‌্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় প্রথমে গঠিত হয়েছিল র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম (র‌্যাট)। পরে পূর্ণাঙ্গ বাহিনী হিসেবে যাত্রা শুরু করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাবের সঙ্গে প্রথম 'ক্রসফায়ারে` নিহত হয় শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নান।

কার্যক্রম শুরুর সময় ব্যাটালিয়ন ছিল সদর দফতরসহ সাতটি। জনবল পাঁচ হাজার ৫২১ জন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে র‌্যাবের জনবল ও ব্যাটালিয়নের সংখ্যা। পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও সরকারের বেসামরিক প্রশাসনের বাছাইকৃত চৌকষ কর্মকর্তা ও অন্য সদস্যদের নিয়ে এখন ১৪টি ব্যাটালিয়নে অন্তত সাড়ে ১০ হাজার র‌্যাব সদস্য কর্মরত রয়েছেন।

র‌্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর একাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এ বাহিনীর সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর একাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এ বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

এআর