সৌদি আরবের শ্রম বাজার খোলার খবরে নিবন্ধন করতে ভোর থেকে অপেক্ষা করছে নোয়াখালী ও লক্ষীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কয়েকশ নাগরিক।

ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে এসেছে মো: নূর নবী। সকাল সাড়ে ৯টায় আবেদন জমা দিয়ে মহাখুশি তিনি।

শুধু নূর নবী নয়; সৌদি-আরবে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে এইরকম বেকার অনেক যুবককে দেখা গেছে ভোর থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে।

বুধবার সকালে নোয়াখালী জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে গিয়ে এ গেছে এমন চিত্র ।

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: লুৎফর রহমান জানান, গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ নিবন্ধনে বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে ২ হাজার ৫’শ আবেদন জমা নেওয়া হয়েছে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৪৫বছর বয়সী ও নারীদের ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৪৫বছরের আগ্রহীরা এই নিবন্ধন করতে পারবেন। সৌদি আরব যতদিন পর্যন্ত কর্মী নিবে ততদিন এ নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এসময় তিনি আরো জানান, ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীদের একটি সিরিয়াল নাম্বার দেওয়া হবে। সার্ভারে এ ডাটা এন্ট্রি হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন নাম্বার পাবেন তারা।

কয়েকজন আবেদনকারী জানান, গত সোমবার ও মঙ্গলবার ২০০টাকার পে-অর্ডার বাবত আবেদনকারীদের কাছ থেকে ২৫০টাকা করে রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সকাল থেকে সাংবাদিকদের দেখে ওইভাবে টাকা নিচ্ছেননা।

এবিষয়ে সহকারী পরিচালক মো: লুৎফর রহমান বলেন, গত দু’দিন যারা পে-অর্ডান নিয়ে আসেননি তাদের কাছ থেকে ২৫০টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে তার নেওয়া হচ্ছেনা। যারা পে-অর্ডার নিয়ে আসছেন শুধু তাদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

নিবন্ধন করতে যা আনতে হবেঃ

আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্টের ফটোকপি, শিক্ষাগত ও কাজের অভিজ্ঞতা সনদের (যদি থাকে) ফটোকপি।

এছাড়াও নিবন্ধনের আবেদনপত্রের সঙ্গে সোনালী ব্যাংক যে কোন শাখা থেকে ২০০টাকার একটি পে-অর্ডার জনশক্তি সঙ্গে আনতে হবে।

এসএইচ