গত দু দিনের অবিরাম বর্ষনে এশিয়ার দীর্ঘতম বেনাপোল স্থলবন্দর’র অধিকাংশ মালামাল পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে খোলা আকাশের নীচে রাখা কোটি কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হতে শুরু করেছে।
মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে আমদানিকারকদের। সকাল থেকে সব ধরনের মালামাল লোড আনলোড বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বর্ষায় বন্দরে ৬ হাজার টন চাল আটকা পড়েছে।
বন্দরে পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থাপনা না থাকায় বন্দরে মালামাল নস্ট হচ্ছে পানিতে । খোলা আকাশের নীচে অবহেলায় রাখা এসব মালামাল পানিতে ডুবে গেছে। অবস্থা এমনই বেগতিক যে, কোন কোন পণ্যের গুদামে পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় পানি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। এ কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদাপানিতে বন্দরের ভেতরে হাটু পরিমান পানি জমে যায়।
পণ্য পরিবহনকারী যানবাহনগুলো পানির গর্তে আটকে যাচ্ছে।পণ্যাগারের প্রবেশমুখেও হাঁটু সমান পানি। সেখানটায় পায়ে হেঁটে যাতায়াতেরও কোনো সুযোগ নেই।
বন্দরে মাত্র ৪২ টি পণ্যাগার রয়েছে , একটি রফতানি টার্মিনাল ও একটি ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল। বন্দরে পণ্য ধারণক্ষমতা ৪২ হাজার মেট্রিক টন। অথচ সারাবছরই বন্দরে পন্র রাখা হচ্ছে ৮০ হাজার মে: টন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান,দেশের সর্ববৃহৎ এই স্থলবন্দর থেকে সরকার বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে থাকে। অথচ এ বন্দরের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। প্রায় একযুগ ধরে এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, গত দু দিনের অবিরাম বর্ষনে বন্দরের ওপেন ইয়ার্ডের মালামাল পানির নীচে রয়েছে। পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই। তবে পানি বের করার চেস্টা চালানো হচ্ছে।
এমএ





