আত্মীয় স্বজনদের মিলন মেলার মধ্যদিয়ে সারাদেশে মহা উৎসবে কুরবানির ঈদ উদযাপন করা হলেও চোখের জল আর অনাহারে দিনযাপন করছেন শরীয়তপুরের ভাঙ্গনকবলিত বাসিন্দারা। ভিটেমাটি হারানো ভূমিহীন অসহায় পরিবারগুলোতে ঈদের দিনে হয়নি রান্নাবান্না। সরকারি বেসরকারি সহযোগিতা বঞ্চিত হতভাগা মানুষগুলো দিনটি পার করেন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে।
অন্য দিনের মতো ঈদের দিনেও পদ্মার পাড়ে অনাহারে অর্ধাহারে অশ্রুভেজা দিন পার করেন শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার ভাঙ্গনকবলিত মানুষ। সারাদেশ কুরবানির মহা উৎসবে স্বজনদের মিলন মেলায় পরিণত হলেও বসতঘর নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়ার কাজে ব্যস্ত পদ্মা পাড়ের এ মানুষগুলো। তাদের নেই ঈদের কোনো আনন্দ। ভিটেমাটি হারানো অসহায় এ মানুষের ভাগ্যে সরকারি কোনো সহায়তা জুটেনি বলেও জানান তারা।
এলাকাবাসী বলেন, আমাদের ঈদ নাই। চুলা নাই, সেমাই রান্না করবো কি, আর খাব কি?'
ভাঙনকবলিতদের জন্য সরকারি বেসরকারি সহায়তার পাশাপাশি ভাঙনরোধে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
ভাইস চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম জাকির বলেন, আমাদের দাবি কোন ভাবেই যেন বস্তা ফালানো বন্ধ না করা হয়।'
গত ২ মাসের পদ্মার ভাঙনে নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার এক কিলোমিটার পাকা সড়কসহ সাড়ে ৪ হাজারের অধিক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
এসএম





