আজ ১ ডিসেম্বর ‘বিশ্ব এইডস দিবস’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য আমার অধিকার’।
এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেছেন, ‘এইডস এর সহজলভ্য এবং মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবা প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।’
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার ০.০১ ভাগের নিচে; এটি একটি স্বস্তির বিষয়। তবে ভৌগোলিক অবস্থান, অসচেতনতা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অনিয়ন্ত্রিত আচরণ ও ভ্রান্ত ধারণার জন্য এদেশে এইডস এর ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রিত জীবনব্যবস্থা, মাদক বর্জন, নৈতিকতার উন্নয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে এইডস থেকে ঝুঁকিমুক্ত করতে পারি।’
সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ এইডস নির্মূল করতে সক্ষম হবে আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) এইচআইভি/এইডস বিষয়ক লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে এইডস রোগ নির্মূল করার জন্য জাতিসংঘের নিকট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এইডস এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৮৮ সাল থেকে ‘বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়ে আসছে। ইউএন-এইডস এর তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩৬৭ মিলিয়ন মানুষ এইডস এ আক্রান্ত। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছে। এখনও এ রোগের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। বর্তমানে প্রচলিত চিকিৎসা ব্যয়বহুল এবং আমৃত্যু এ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়।
জেড





